fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন ব্যক্তি, স্বাগত জানালেন এলাকাবাসী

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমিত হয়ে  কোচবিহার মিশন হাসপাতাল বর্তমানে যেটা কোভিড হাসপাতাল সেখান থেকে চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরতেই তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানালো সাহেবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা। শনিবার রাতে এলাকার যুবক সহ দিনহাটা ২ ব্লকের পাঁচজন কোচবিহারে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফেরেন।

 

পেশায় তিনি রেলকর্মী তন্ময় পাল  অসমের কামরূপে  থাকেন।  গত ৮  জুলাই সে অসম থেকে দিনহাটা দুই ব্লকের সাহেবগঞ্জের বাড়িতে ফেরেন।  এরপর সোয়াব টেষ্টে করোনা পজিটিভ আসতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়  কোচবিহার কোভিড হাসপাতালে। কোটা এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জোন করা হয়। একটানা কয়েকদিন কোচবিহারে চিকিৎসারপর রেলকর্মী ওই যুবকের রিপোর্ট দ্বিতীয়বার পজেটিভ আসতেই   সুস্থ হয়ে শনিবার রাত দশটা নাগাদ ওই যুবক বাড়ি ফিরলে এলাকার বিভিন্ন সংগঠন সহ সাধারণ মানুষ  তাকে নানা ভাবে স্বাগত জানান। করোনা জয়ী  তন্ময় পাল এদিন ফিরতেই স্থানীয় এলাকার সকলেই এই যোদ্ধা কে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন । এদিন রাতে ফেরার পর তার প্রাথমিক  প্রতিক্রিয়া এবং এই যুদ্ধে কিভাবে সম্ভব সেটাও তুলে ধরেন সকলের কাছে। এদিন রাত দশটা নাগাদ তন্ময় বাড়ি ফিরলে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উজ্জল তালুকদার,স্থানীয় নব জাগরণ মঞ্চের মিল্টন সরকার , রাজু সাহা , শুভঙ্কর সোনার প্রমুখ।বাসিন্দারা কেউ হাততালি দিয়ে কেউ বা আবার ফুলের স্তবক দিয়ে তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। বাসিন্দাদের কোথায় এদিন তন্ময় সহ যারা  ফিরে এসেছেন তারা সকলেই করোনা যোদ্ধা।

এদিকে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে  এদিন ওই যুবক ছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েতের খোচাবাড়ি বিল কলাইঘাটি ও পূর্ব সাহেবগঞ্জের  দুই  জন মহিলা এবং ব্লকের নয়ারহাট গোবরাছড়া  এলাকার দুই জন মহিলা সুস্থ হয়ে  বাড়ি ফেরেন।

এদিন রাতে ফেরার পর করোনা জয়ী তন্ময় পাল  বলেন আক্রান্ত হওয়ার পর কিছুটা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়লেও এই  অবস্থায় পরিবার, বন্ধু বান্ধব, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন রা সব সময় তাকে শক্তি যুগিয়েছে। এছাড়াও  কোচবিহার কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়  সেখানকার স্বাস্থ্য কর্মীদের চেষ্টা এবং সব সময় পাশে দাঁড়ানো আমাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলেছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, এত বড় মহামারি বিশ্বকে   কাঁপাচ্ছে। এই সময়  মনবলটাই সবচেয়ে বড় কথা। সেরকম কিছুই না। মনে শক্তি থাকলে সহজেই এই রোগ কে প্রতিহত করা সম্ভব। তিনি যখন চিকিৎসাধীন ছিলেন তখন অনেকেই  ভর্তি  ছিলেন যারা মনেই করেন না আমি রোগী। করোনা জয়ী এই যুবক বলেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় যখনই ভেঙে পড়তাম যেকোনো সময় দরকার হলেই সেখানকার কর্মীরা যথেষ্ট ভাবে সহযোগিতা করেছেন।

এদিকে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দাদের মিল্টন সরকার বলেন কর্মসূত্রে তন্ময় আসামে থাকেন। আসার পর সোয়াব টেষ্টে   করোনা পজেটিভ হতেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কোচবিহারে। মারণ এই রোগের সাথে লড়াই করে সুস্থ হয়ে এদিন বেশ কয়েকজন বাড়ি ফিরতেই ওই যুবক সহ অন্যান্যদেরকে তারা সম্বর্ধনা দেন। দিনহাটা দুই ব্লকের  বিডিও জয়ন্ত দত্ত বলেন, সুস্থ হয়ে এদিন পাঁচ জন বাড়িতে ফিরে আসে

Related Articles

Back to top button
Close