fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেনের হাত ধরে শতাধিক কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে

বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত বিজেপি বারুইপুর জেলা বিজেপির নেতৃত্ব সাংগঠনিক অফিসে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে করেন । এরপর সংখ্যালঘু কর্মী সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেস থেকেও এসইউসিআই প্রায় কয়েক শ’ নেতাকর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে।

আজ রাজ্য সংখ্যালঘু মোর্চা সভাপতি আলী হোসেন ও বারুইপুরে সাংগঠনিক জেলা সভাপতি হরি কৃষ্ণ দত্ত হাত ধরে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেয় সংখ্যালঘু নেতাকর্মী এবং সাথে সাথে তৃণমূল কংগ্রেস থেকেও এসইউসিআই আরও কয়েক শ’ নেতাকর্মী যোগ দিলো বিজেপিতে।

এদিনের এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি বারুইপুর সাংগঠনিক জেলা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বারুইপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি হরি কৃষ্ণ দত্ত ও রাজ্য সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলী হোসেন অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব সহ অনেক ব্যক্তিবর্গ।

বিজেপি হরি কৃষ্ণ দত্ত বলেন, ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ তথা যাদবপুর লোকসভায় সমস্ত বিধানসভাগুলি বিজেপির দখলে আসবে। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২১ সালে মমতা ব্যানার্জির দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে সাধারণ মানুষ ছুঁড়ে ফেলে দেবে এবং বিজেপির সরকার গড়বে। আমরা ১০০% আশাবাদী গণতন্ত্র হত্যাকারী ও দুর্নীতিবাজ সরকার মমতা ব্যানার্জি ২০২১ সালে ০ পাবে। বাংলার মানুষ বুঝে গেছে চিট ফান্ড থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট থেকে শুরু করে রেশন কেলেঙ্কারি, আমফান কেলেঙ্কারি, করোনাভাইরাস রোধে তথ্য গোপনকারির সরকার, তোষণ নীতির সরকার বাংলায় আর নেই দরকার। নরেন্দ্র মোদির প্রত্যেকটি যোজনা সফল রূপে বাস্তবায়িত করেছে ।

তিনি আরও বলেন, নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির নেতৃত্বে ছয় বছরের সরকার ভারতবর্ষকে বিশ্বের অন্যতম জায়গায় নিয়ে এসেছে। কেন্দ্র সরকারের প্রতিটি যোজনাকে বাংলার সরকার মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবাংলায় চালু হতে দেয়নি, তার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে দুর্নীতিতে জর্জরিত তৃণমূলের বুথস্তরের নেতা থেকে শুরু করে নেতা, মন্ত্রী, এমএলএ, এমপি। মানুষ নিজের অধিকার এর জন্য আওয়াজ তুললে মমতা ব্যানার্জি পুলিশ দিয়ে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দিচ্ছে এবং গ্রেফতার করছে। ভারতীয় জনতা পার্টির নেতাকর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন গড়ে তুললে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। অপদার্থ পুলিশ প্রশাসনকে ধিক্কার জানাই।

পুলিশ দিয়ে লাঠি দিয়ে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে বিজেপি নেতা কর্মীদের আগেও রাখা যায়নি এখনো রোখা যাবে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলে সাধারণ মানুষ গ্রামছাড়া হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ গ্রামবাসীদের পুলিশের অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে। উর্দিধারী পুলিশ এখন তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে কাজ করছে। যে সমস্ত পঞ্চায়েতের গ্রামগুলি বিজেপি মুখী হচ্ছে সেখানেই লোকাল থানার নেতৃত্বে মমতা ব্যানার্জির সরকার পুলিশ দিয়ে হামলা চালাচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করছে ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাদের প্রিয় ছাড়া করছে। নীল সাদা উন্নয়নের পিছনে পিসি-ভাইপোর একটি কোম্পানি চলছে।

যেই কোম্পানির মালিক মমতা ব্যানার্জি এবং ম্যানেজার তার ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি। তাই বাংলার মানুষ গর্জে উঠেছে বাংলার ঘরে ঘরে বিজেপির পদ্ম ফুটে উঠেছে। তার সদ্য প্রমাণ ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ ব্যালট বাক্সে দেখিয়ে দিতে চায়। ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি জেলা সভাপতি হরি কৃষ্ণ দত্ত।

Related Articles

Back to top button
Close