fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আসানসোলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠান

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়,  আসানসোল: আসানসোলের উষাগ্রামের অগ্নি কন্যা ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শহিদ দিবস পালনের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ সেখানে দলের পতাকা উত্তোলন করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা আসানসোল পুরনিগমের মেয়র পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি।

শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন শহিদদের প্রতি জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি সহ শ্রদ্ধা জানান এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, জেলা চেয়ারম্যান তথা  কো-অর্ডিনেটর ভি শিবদাসন ওরফে দাসু, পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শুভদ্রা বাউরি, আসানসোল দূর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা আড্ডার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায়, দূর্গাপুর পুরনিগমের মেয়র দিলীপ অগস্থি, জেলা যুব সভানেত্রী ববিতা দাস, রবিউল ইসলাম সহ অন্যান্যরা। পরে সেখানে জায়েন্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্য দেখানো হয়।

জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, করোনা আবহের কারণে এদিন আমরা শহিদ দিবস উপলক্ষে কলকাতার ধর্মতলায় যেতে পারলাম না। যা আমাদের কাছে দুঃখের। কিন্তু দলনেত্রীর  নির্দেশে জেলার সব বুথে এদিন শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠান করা হয়েছে। যারা বাংলাকে ভালোবাসেন, তাদের সবাইকে শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলী দেওয়া উচিত। দলনেত্রীর ” নো আইডেন্টিটি, নো ভোট ” র আন্দোলন করেছিলেন।  তার ফল আজ সবাই পাচ্ছেন। আজ বিজেপির লোকেরা বড় বড় কথা বলছেন। ঐ আন্দোলন না হলে, আজ তাদেরও ভোট দেওয়ার অধিকার থাকতো না। আজ পরিচয় পত্রের সঙ্গে ভোট দেওয়ার অধিকার যে হয়েছে, তা ঐ আন্দোলনের জন্য হয়েছে। যাদের রাজনৈতিক ভাবে আমাদের সঙ্গে মতবিরোধ আছে, তাদেরও এই ১৩ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো উচিত।

Related Articles

Back to top button
Close