fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

রাস্তায় আর যত্রতত্র ফেলা যাবে না ব্যবহৃত মাস্ক…কড়া আইন আনতে চলেছে পুরসভা

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে মাস্ক এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সবাই মাস্ক ব্যবহার করলেও অসতর্কভাবে অনেকেই রাস্তার মধ্যেই ফেলে রাখছেন ব্যবহৃত মাস্ক। আর তা নিয়েই এবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। এমনটাই জানালেন পুরো প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। শুক্রবার পুরসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় তিনি বলেন, ‘রাস্তায় মাস্ক পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এটা ঠিক নয়। তার কারণ মাস্ক এর মধ্যেও সংক্রমণ থাকতে পারে। আর সেই সংক্রমণ সাফাই কর্মীদের দেহেও চলে যেতে পারে। তাই আমি সাফাই কর্মীদের নির্দেশ দেব তারা যেন সঠিক পোশাক পরেই এই ধরনের সাফাইয়ের কাজ করেন। পাশাপাশি এই মাস্ক এর ফলে ক্ষতি হতে পারে আশেপাশের মানুষেরও। যারা ফেলছেন তাদের এটা মাথায় রাখা উচিত সাফাই করে যারা তারাও মানুষ। তাই এ ধরনের কাজের জন্য কড়া নিয়ম আনার প্রয়োজন আছে।’

অন্যদিকে গড়িয়া শ্মশানে পচা গলা মরদেহ বিতর্কে এবার পুর-চেয়ারম্যান এবং পুর কমিশনারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। আগামীকাল সকাল এগারোটার মধ্যে সেই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। তবে রাজ্যপালের কাছে কোন রকম রিপোর্ট বা পুর কর্তৃপক্ষের কেউ হাজির থাকবেন না বলে শুক্রবার সাফ জানিয়ে দেন পুরপ্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

এদিন রাজ্যপালের টুইটের জবাবে প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “রাজ্যপাল পাবলিসিটির জন্য এটা করছেন। আমি এই নিয়ে কথা বলব না। উনি যদি রাজ্যপাল হিসেবে রিপোর্ট চাইতেন আমি দিতাম। যেহেতু একটা দলের হয়ে কাজ করতে এসেছেন, তাই আমি কোনও রিপোর্ট দেব না, কথাও বলব না।” এর ফলে রাজ্যপালের পদটাকেই তিনি কলঙ্কিত করছেন বলে এদিন মন্তব্য করেন ফিরহাদ হাকিম।

একই সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম সাফ জানান, রাজ্যপালের আহ্বানে তিনি দেখা করতে যাচ্ছেন না রাজভবনে। জানিয়ে দেন “শনিবার ১১ টায় আমি যাব না ওঁনার সঙ্গে দেখা করতে। তাহলে তো দিলীপ ঘোষ ডাকলেও তার অফিসে যেতে হবে।”

প্রসঙ্গত, আজ টুইটে রাজ্যপাল ওই ঘটনাপ্রসঙ্গে লেখেন, “ক্রুদ্ধ হওয়ার মত বিষয়। দায়িত্বজ্ঞানহীন উপায়ে যেভাবে মরদেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে, তাতে লোকের রাগ এবং গভীর দুঃশ্চিন্তার ভাগীদার আমি। এই অবস্থায় হতভম্ব। পুর-চেয়ারম্যান এবং পুর কমিশনারের কাছে আজ জরুরি রিপোর্ট চেয়েছি।”এর আগেও, একই প্রসঙ্গে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে এই ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন রাজ্যপাল।

রাতে রাজ্যপাল টুইটে লিখেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিবের জবাব এসেছে। মৃতদেহ সৎকারে অব্যবস্থা কার্যত স্বীকার করে নিয়ে ভবিষ্যতে নিয়ম-পদ্ধতি পালনের কথা বলা হয়েছে”। তবে পুরো কর্তৃপক্ষ আগামীকাল রাজ্যপালের তলবের জবাব দিচ্ছেন না বলেই এদিন সাফ জানালেন পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

Related Articles

Back to top button
Close