fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

নেকড়ের চেয়ে হিংস্র! গুপ্তচর হয়ে গোপনে চিনাদের ওপর হামলা চালাবে সেনার লাদাখি কুকুর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক যেমনভাবে সেনা কুকুরদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, লাদাখের কয়েকটি প্রজাতির কুকুরকে তেমনভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে তারাও ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি হয়েই কাজ করবে। প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, পূর্ব লাদাখের গ্রামগুলি থেকে বাখারওয়াল, তিব্বতি ম্যাস্টিফ প্রজাতির কুকুরকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে।

বাখারওয়াল প্রজাতির কুকুর সাধারণত পীরপঞ্জল রেঞ্জেই পাওয়া যায়। পাহাড়ি বাখারওয়াল ও গুজ্জর সম্প্রদায়ের মানুষরা এই জাতীয় কুকুর পালন করেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পাহারা দেওয়ার কাজে, শিকার ধরা বা অন্যান্য কাজে এই কুকুরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরা দুরন্ত শিকারি, ঘ্রাণ শক্তি খুবই বেশি। তার থেকেও বড় কথা পাহাড়ি খাঁজ বা উপত্যকাতেও তাদের গতি প্রশংসনীয়। এই প্রজাতির কুকুরকে অনেকসময়ই সেনা ছাউনি পাহারার কাজে লাগান জওয়ানরা।

সম্প্রতি লাদাখ সংলগ্ন লাইন অফ একচুয়াল কন্ট্রোল চিনা সেনার তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। লাদাখ চুশুল এবং একাধিক পয়েন্টে কমপক্ষে ১০ হাজারেরও বেশি চিনা সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। পাশাপাশি আর্টিলারি এবং ট্যাঙ্ক মোতায়েন করা হয়েছে চিনা সেনার পক্ষ থেকে। এমন অবস্থায় শত্রুপক্ষের অবস্থান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে পাশাপাশি গোপন হামলা চালানোর ক্ষেত্রে এই প্রজাতির কুকুর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছে সেনা।

এক সেনা আধিকারিক বলছেন, স্থানীয় বাখারওয়াল কুকুররা খুব ভাল গার্ড-ডগ হয়। সেনা ক্যাম্প পাহারা দেওয়া, রাতের বেলা শত্রু সেনার গতিবিধি আঁচ করলে তা জানান দেওয়া এমনকি প্রয়োজনে হামলাও করতে পারে তারা। তিব্বতি ম্যাস্টিফ বিশেষ করে ব্ল্যাক ম্যাস্টিফকেও প্রশিক্ষণ দিয়ে সেনা অভিযানের কাজে লাগানো যায়। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যাস্টিফ জাতীয় কুকুরকে সঠিক ট্রেনিং দিলে তারা নেকড়ের থেকেও বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারে। তাছাড়া ঘন লোমে ঢাকা এই কুকুর পাহাড়ি এলাকার দুর্গম পরিবেশেও মানিয়ে নিতে পারে।

Related Articles

Back to top button
Close