fbpx
দেশহেডলাইন

দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদর দফতরে মতুয়া সংঙ্ঘাধিপতি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এরপরে মতুয়াদের চিরকালীন উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে

ইন্দ্রাণী দাশগুপ্ত নিউ দিল্লি: দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদর দফতরে মতুয়া সংঙ্ঘাধিপতি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের হাতে অযোধ্যায় রাম মন্দির ভূমি পূজার প্রসাদ তুলে দিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় সভাপতি অলক কুমার । একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন মতুয়া মহাসংঘের মাটি এবং জল অযোধ্যার ভূমি পুজো অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে ব্যবহার করা হয়েছে। এবং তারা ভবিষ্যতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য সাহায্য চাইতে শ্রীধাম ঠাকুর বাড়িতে যাবেন বলেও তিনি ঘোষণা করেন।

শনিবার বিকেলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে দিল্লিতে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে মতুয়া সংঘের প্রতিনিধি হিসাবে শান্তনু ঠাকুর কে আহবান জানিয়ে তার হাতে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর প্রসাদ তুলে দেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সভাপতি অলক কুমার জি। তিনি ঠাকুরবাড়ির জল ও মাটি দলিত সম্প্রদায়ের বলে রাম মন্দির নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা হয়নি এই তথ্য সম্পূর্ণ খণ্ডন করেন বলেন এটা একটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত ষড়যন্ত্র।

রাম মন্দির নির্মাণের কাজে মহান সাধক রবিদাসের জন্মের মাটি বা বাল্মীকি মুনির মন্দিরের  মাটির সঙ্গে হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরের মাটি এবং কামনা সাগরের জল ব্যবহার করা হয়েছে ।তিনি বলেন ভগবান শ্রী রামচন্দ্র কোন জাত পাতের নিষেধ মানতেন না ।তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতেন। এই ধরনের কুরুচিকর রটনা ভারতীয় হিন্দু সমাজকে দ্বিধা বিভক্ত করার এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মনে ভগবান শ্রী রাম সমন্ধে ভান্ত ধারণা তৈরি করার জন্য করা হয়েছে ।বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তীব্র ভাষায় এর নিন্দা জানাচ্ছে।

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাতদিনের সফরে দিলীপ ঘোষ, কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বৈঠক, একাধিক কর্মসূচি

সাংসদ শান্তনু ঠাকুর একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এরপরে মতুয়াদের চিরকালীন উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে । বিশেষত বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তু মানুষেরা এখন ভারতীয় নাগরিক। তাদের মনে ভুল ধারণা তৈরী করার জন্য এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩ কোটি মতুয়া ধর্মাবলম্বীর মানুষের বসবাস। এবং কমবেশি ১০০ টি আসনে তারা নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে ।

তাই ভোটের রাজনীতিতে মতুয়া ভক্তদের মনে বিজেপির বিরুদ্ধে বিদ্বেষ তৈরি করার জন্য হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরকে বারেবারে অপমান করছেন তৃণমূল এবং বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। আমার আশা ভগবান শ্রী রামের এই প্রসাদ যখন আমি মতুয়া ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করব তখন তাদের মনে আর কোনো দ্বিধা থাকবে না ।আর যারা এই ধরনের অপপ্রচার ঘটিয়ে আমাদের মতুয়া সমাজ কে এবং আমাদের শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুর এবং অথবা ঠাকুরবাড়ি কে অপমানিত করার চেষ্টা করলো আগামী ২০২১ এ নির্বাচনে তারা তাদের উচিত জবাব ভোট বাক্সে পেয়ে যাবেন।

 

Related Articles

Back to top button
Close