fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পাঁচ দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীর পড়াশোনার দায়িত্ব নিল মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ সব বিষয়েই অনন্য। অবিভক্ত মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় তাঁদের কাজ ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে বিদ্বজনের। এবার যেন তাঁদের কাজের পরিধি আরও প্রসারিত। দুঃস্থদের ছাত্র ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাঁরা সম্মানিত করলো সমাজের পাঁচজন বিশিষ্ট মানুষকে।

পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার অ্যাসিড আক্রান্ত ছাত্রী রূপতাজ খাতুনের পড়াশোনার ভার নিয়েছে মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ। কুশবাসন হাই স্কুলের ছাত্র পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার আড়গোড়া গ্রামের জয়দেব পাত্র এবার মাধ্যমিকে পেয়েছে ৬৭৪। কিন্তু বাড়ির অবস্থা খুব খারাপ। তেমনি বর্তমানে ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের বাংলা বিভাগের ছাত্র বিনপুরের সুরজিত পালের দিকেও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সাহায্যের হাত। বাবা কোল্ডস্টোরেজে কাজ করতেন। বর্তমানে নেই। পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়ে গবেষক হতে চায় কমলেন্দু দিণ্ডা। কিংবা লালগড়ের সুদীপ রায়। চোখের অপারেশন প্রয়োজন এখনি। এঁদের জীবনের স্বপ্নপূরনে আজ এগিয়ে এসেছে মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ।

পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের যতীন্দ্রনাথ মাইতি বাংলার লোকসংস্কৃতির একজন প্রবীণ ধারক ও বাহক। মৃদঙ্গ সাধনায় এই অশিতীপর মানুষটি আজও সম্মানের যোগ্য। মনোরঞ্জন‌ ব্যাপারী হলেন অন্যতম সাহিত্যিক এবং বর্তমানে বাংলা তথা ভারতের এক আলোচিত নাম। ঐতিহাসিক মেদিনীপুর কলিজিয়েট স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও ইতিহাসবিদ হরিপদ মণ্ডল ছাত্রসমাজে এক পরিচিত মুখ। মোট ১৪৬ বার রক্তদান করেছেন জয়ন্ত মুখার্জী। রক্তদান আন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে। পরিবেশবাদী আন্দোলনে পটাশপুরের সোমনাথ দাস অধিকারী আরেক অতি পরিচিত নাম। এই পাঁচ জনকে মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ তুলে দিলো ‘সর্বপল্লী সম্মাননা’।

সংগঠনের সভাপতি রাজকুমার বেরা এবং সম্পাদক কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী জানান, এভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য আমরা আরও নানা ভাবে এগিয়ে আসতে চাই। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভার্চুয়াল সভা করেই এদিন এভাবে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। উপস্থিত ছিলেন কৌশিক কঁচ, অনিমেষ প্রামানিক, আগন্তুক ঘোড়াই প্রমুখ।

Related Articles

Back to top button
Close