fbpx
অন্যান্যঅসমগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

লামডিঙে দুই কর্মকর্তার স্মরণে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সন্মেলনের সভা

একই দিনে প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায় ও জয়ন্ত কুমার ঘোষ

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, লামডিং: নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সন্মেলনের বরেন্য দুই ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে গত ৩ সেপ্টেম্বর জ্ঞানদীপ জুনিয়র কলেজে লামডিং শাখা এক স্মৃতিচারণ সভা আয়োজন করেন। ৩১ আগস্ট সকালে প্রয়াত হয়েছিলেন সন্মেলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সচিব জয়ন্ত কুমার ঘোশ এবং সেদিনই সন্ধ্যায় মৃত্যু সংবাদ আসে সাহিত্য সন্মেলনের প্রাক্তন সভাপতি তথা ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধেয় প্রণব মুখোপাধ্যায়ের।

আরও পড়ুন : করোনা আবহে রক্তের আকাল আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে

একই দিনে গুরু শিশ্যের প্রয়ানে সন্মেলনের শাখা সদস্যদের মধ্যে এক শোকের ছায়া নেমে আসা। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ছটা নাগাদ দুজনের প্রতিকৃতির সামনে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন এবং পষ্পার্ঘ অর্পণ করেন লামডিং শাখার সহ সভাপতি দেবাশীষ পাল। পড়ে একে একে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই পুষ্পার্ঘ দিয়ে দুজন ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শুরুতে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন সন্মেলনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি বিধান চন্দ্র দেব রায়। তিনি বলেন, ‘প্রণববাবু ছিলেন নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সন্মেলনের অভিভাবক। ১২ বছর পর তিনি সন্মেলনের সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন। রাষ্ট্রপরিত মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকেও সন্মেলনের অধিবেশক গুলিতে প্রাণের টানে ছুটে আসতেন। সব সময়ই সন্মেলনের গতিকে ত্বরান্বিত  করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। আমরা ভাগ্যবান নিখিল ভারতের মতো বটবৃক্ষের আশ্রয়ে ছিলাম বলেই তাঁর সান্নিধ্য আমরা পেয়েছি এবং কাজ করবার সুযোগ ঘটেছে।’

আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্রে ঢুকলে মেরে পা ভেঙে দেব, কঙ্গনাকে হুমকি শিবসেনা বিধায়কের

প্রয়াত কেন্দ্রীয় সাধারণ সচিব জয়ন্য ঘোষ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘২০২৩ সালে সন্মেলনের শতবর্ষ উদযাপনকে ঐতিহাসিক করে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন জয়ন্ত কুমার ঘোশ। ইতিমধ্যে প্রস্তুতি পর্ব ও শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সেই প্রদীপ নিভে গেল। তিনি চলে গেলেন অমৃতলোকে। একজন দক্ষ সংগঠক ছিলেন জয়ন্ত বাবু। দিনের সর্বক্ষণ সন্মেলনের কাজে ব্যয় করে গেছেন।  প্রতিটি শাখার সদস্যদের যোগাযোগ রাখতেন নিয়মিত। কি আশ্চর্য গুরু শিষ্য দুজনে একই দিনে চলে গেলেন। সন্মেলনের এই শূন্য স্থান পূরণ হবে কীভাবে-প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই গেল।’ অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বর্ষীয়ান সদস্য অবিনাশ চন্দ্র মজুমদার, সুবির সেনগুপ্ত, কানুরঞ্জন দাস, দেবাশীষ পাল, গণেশ তাঁতি। অমরেন্দ্র গাঙ্গুলী একটি সঙ্গীতের মাধ্যমে প্রয়াতদের শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। সবশেষে এক মিনিট নিরবতা পালন করে প্রয়াতদের আত্মার চির শান্তি কামনা করা হয়।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close