fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দেশ জুড়ে তিনদিনের কয়লা শিল্পে ধর্মঘটের সমর্থনে আসানসোলে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সভা

শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোল: আগামী ২ জুলাই থেকে ৪ জুলাই দেশ জুড়ে কয়লা শিল্পে তিনদিনের ধর্মঘটের সমর্থনে মঙ্গলবার আসানসোলের গুজরাটি ভবনে বিএমএস বা ভারতীয় মজদুর সংঘ সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন একটি প্রচার সভা করে।

ভারতীয় মজদুর সংঘের কয়লা খনি সংগঠনের  সভাপতি নরেন্দ্র কুমার সিং বলেন, যখনই কোনও সরকার শ্রমিক বিরোধী কোনও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখন আমরা শ্রমিকের স্বার্থে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। এবারেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কমার্শিয়াল মাইনিং সহ যে  সব শ্রমিক বিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারই প্রতিবাদে আমরা যৌথভাবে ধর্মঘটে যাচ্ছি। এতেও যদি সরকারের টনক না নড়ে তাহলে আমরা আরও বড় আন্দোলনে যাব।

ইসিএলের খনি এলাকার শ্রমিক সংগঠনগুলির  যৌথ মঞ্চ জ্যাক বা জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির আহ্বায়ক তথা প্রাক্তন সাংসদ, এআইটিইউসির রাজ্য সভাপতি আরসি সিং বলেন, একদিকে কমার্শিয়াল মাইনিং,  অন্যদিকে ১০০% কয়লা শিল্পে বেসরকারিকরণের যেমন আমরা প্রতিবাদ করছি,  তেমনি কেন্দ্রীয় সরকার সিএমপিডিআইকে কোল ইন্ডিয়া থেকে আলাদা করতে চাইছে তার বিরোধিতাও করছি। আবার এই দাবিও জানাচ্ছি, গ্রাম এলাকায় যেভাবে কয়লা খনি করা হচ্ছে বা হবে সেখানে সবার পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। সম্প্রতি  জামবাদের ঘটনা আমাদের দাবিকে আরও একবার প্রমাণ করে দিল।

আইএনটিইউসির শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চন্ডী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  এই কেন্দ্র  সরকার যেমন শ্রমিকের কাজ কেড়ে নিচ্ছে,  তেমনি কয়লা যখন কমার্শিয়াল মাইনিং হয়ে যাবে তখন  তা থেকে রাজ্য সরকার কিন্তু আর কোনও সেস পাবে না । সর্বোপরি শ্রমিকদের চাকরির ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না। থাকবেনা সরকারের সামাজিক দায়বদ্ধতাও । সেজন্যেই এবারের ধর্মঘট আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

এদিনের সভায় সিটু,  টিইউসিসি, ইউটিইউসির নেতারা ধর্মঘটের সমর্থনে কর্মীদের সামনে বক্তব্য তুলে ধরেন।  তারা প্রত্যেকেই বলেন,  ধর্মঘটের আগের দিন পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রতিটি কয়লাখনিতে এই ধর্মঘটের সমর্থনে প্রচার চালাতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close