fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বন্যা প্রতিরোধে আগাম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে সেচমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক: বর্ষা আসন্ন। প্রতি বছরের মতো এবারও ফের বন্যার ভ্রুকুটিতে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষ পড়বে। তাই এই দুই জেলার বন্যা প্রতিরোধে সেচ দপ্তরের তৈরি ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ অন্তর্ভুক্ত এলাকায় আগতপ্রায় বর্ষার আগে বন্যা প্রতিরোধের ছয় দফা দাবিতে আজ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ন সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে রাজ্যের সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র নায়ক ও দেবাশীষ মাইতি জানান, আগামী বর্ষার আগেই  কাজগুলি দ্রুত রূপায়ণ যাতে হয় সে ব্যাপারে সেচমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। আসলে বন্যার আগেই উচিত বন্যা মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়া।

দাবি করা হয়েছে সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া স্কিমগুলি যেমন নিউ কাঁসাইয়ের নিম্নাংশ, ক্ষীরাই-বাক্সী, চন্দ্রেশ্বর ইত্যাদি সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করতেই হবে। খননকার্য চলতে থাকা গোমরাই-পায়রাশি খালের কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। এগুলি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শেষ করা জরুরী।

পরবর্তী ক্ষেত্রে দুর্বাচটী নদী সংস্কার সহ বিভিন্ন প্রকল্পগুলির ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার বন্দোবস্ত করার আশু উদ্যোগ নিতে হবে। বিভিন্ন নদী ও নিকাশী খালগুলিতে জমে থাকা জঞ্জাল ও আবর্জনা পরিষ্কার করে নদীতে সুষ্ঠুভাবে এবং সাবলীলভাবে জল নিকাশের সুবন্দোবস্ত করতে হবে সেচ দপ্তরকে।
বর্ষার আগেই সমস্ত লকগেট এবং স্লুইসগেট গুলির ফ্ল্যাপ ও ড্র সাটার মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী না করলে জলনিকাশী ভালো হবে না। এরফলে আটকে থাকবে জল।

শিলাবতী, নিউ কাঁসাই, দূর্বাচটি, কাটান, কেটিয়া, পারাং, কাকি, দোনাই, রূপনারায়ন নদীবাঁধগুলির  দুর্বল অংশ শক্তপোক্ত করে বর্ষার পূর্বে মেরামত করায় অগ্রাধিকার দিতে হবে। সমস্ত নিকাশি শাখা ও নাসা খালগুলিকে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প (এম.জি.নারেগা) তে অন্তর্ভুক্ত করে বর্ষার পূর্বে সংস্কার করলে আসন্ন বন্যার সময় অনেকটাই সুরাহা হবে।

নারায়ন নায়েক বলেন, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এবছর সাধারণ মানুষ আরো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির শিকার হবেন বন্যায়। লকডাউন পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে দাবি পূরণ না হলে।

Related Articles

Back to top button
Close