fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

১৪ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু মেট্রোর, আগাম অ্যাপে সিট বুক করে রাখতে হবে ই-পাস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পর পর মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দু’দিন বৈঠক করার পর শেষ পর্যন্ত কলকাতায় মেট্রো শুরুর দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ফেলল নবান্ন। জানানো হয়েছে, সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শহরে চালু হবে মেট্রো চলাচল।তবে ১৩ সেপ্টেম্বর মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষা বা নিট থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে সেদিন পরিষেবা চালানো হতে পারে। একই সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণে মেট্রোর নিজস্ব অ্যাপে সময় বুকিং করে ই-পাস নিয়ে নিতে হবে। এতে কোনও নির্দিষ্ট সময়ে কোনও নির্দিষ্ট স্টেশনে কতজন যাত্রী থাকবেন, তা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

কলকাতা মেট্রোর মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রানী বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য কবে থেকে মেট্রো পরিষেবা শুরু হবে তা নিয়ে মন্তব্য করেননি। একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা ই পাসের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁরা মেট্রোর কাছে এই বিষয়ে কিছু তথ্য চেয়েছেন, মেট্রো কর্তৃপক্ষ তা ওঁদের দেবে।’ যাত্রী ভিড় দূরত্ব বিধি মেনে কীভাবে সামলানো যাবে সেটাই এখন মেট্রো ও প্রশাসনের মূল চিন্তা। সেই উত্তর খুঁজতেই এদিনের বৈঠক।

শুক্রবার ফের মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজ্য সরকারের আলোচনার পর এটাই ঠিক হয়েছে, শুধু স্মার্ট কার্ড থাকলেই মেট্রোয় চাপা যাবে না। কারণ ৪ লক্ষ যাত্রীর কাছে মেট্রোর স্মার্ট কার্ড রয়েছে আর করোনা পরিস্থিতির কারণে ৪৫০০০ জন যাত্রীর বেশি বহন করতে পারবে না মেট্রো। তাই অ্যাপের মাধ্যমে আগে থেকে বুক করতে হবে সিট। অর্থাৎ স্মার্ট কার্ড না থাকলেও মেট্রোয় টিকিট বুক করা যাবে। আর স্মার্ট কার্ড থাকলেও ওই টাইম বুকিং করে তবেই স্টেশনে ঢোকা যাবে।বিষয়টি অনেকটা মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমার টিকিট বুক করার মতো। অর্থাৎ যাঁদের কাছে স্মার্ট কার্ড নেই, তাঁরাও এই অ্যাপ ডাউনলোড করে টিকিট বুক করতে পারেন। তবে তা যাত্রা করার ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা আগে করতে হবে। কোন স্টেশন থেকে যাত্রী কোন স্টেশনে যাবেন, তা উল্লেখ করতে হবে। তবে যদি আসন ফাঁকা থাকে তবেই যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারবেন।একবার যদি টেকেন বা ই-পাস জেনারেট হয়ে যায় তাহলে স্টেশনের ভিতরে ঢুকে তাঁরা স্মার্ট কার্ড কিনে নিতে পারবেন।

প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৪ হাজার টোকেন বা ই-পাস ইস্যু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।একদিনে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১২০টি ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। , সূত্রের খবর, স্টেশনের বাইরে দায়িত্বে থাকবেন কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। ভিতরে আলাদা করে স্যানিটাইজেশন টানেলের মধ্যে দিয়ে যাত্রীদের যেতে হবে। এছাড়া অটোমেটিক থার্মাল স্ক্যানারও বসানো থাকবে প্রতিটি স্টেশনে। যাত্রীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ট্রেনের ভিতরেও সিট গ্যাপে বসতে হবে যাত্রীদের।

Related Articles

Back to top button
Close