fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার অনুমতি মেলায় খুশি পরিবার সহ রাজ্যবাসী

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, রানাঘাট : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। বাড়ি ফেরার অনুমতি পেল আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকসহ ভ্রমণ, চিকিৎসা ও পঠন-পাঠনের উদ্দেশ্যে আটকেপড়া ছাত্রছাত্রীরা। আন্তর্জাতিক মহামারী করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কল্পে গত ২৪ শে মার্চ আচমকা সারাদেশব্যাপী লকডাউন নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর এরা সকলেই আটকে পড়ে। কেউবা রুটি-রুজির তাগিদে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজে গিয়েছিল, কেউ বা পরিবারবর্গ নিয়ে দক্ষিণ ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে পড়ে, পরিবারবর্গ নিয়ে অনেকেই আবার বৃন্দাবন সহ উত্তর ভারতে ভ্রমণে গিয়েও আটকে যায়, এছাড়া ও রাজ্যের বহু ছাত্র-ছাত্রী, যারা পঠন-পাঠনের জন্য রাজস্থান গুজরাট এবং দিল্লিতে আটকে আছে, এরা প্রত্যেকেই যেন অনিশ্চয়তার অন্ধকার থেকে মুক্তি পেল, বাড়ি ফেরার এই আনন্দে।

পরিস্থিতি অনুযায়ী সার্বিক দিক থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে,গতকালই কেন্দ্রীয় সরকার শর্তসাপেক্ষে এদের বাড়ি ফেরার অনুমতি দিয়েছে। গতকাল ২৯শে এপ্রিল, বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয় লকডাউন চলছে ও পরিযায়ী শ্রমিক ভিনরাজ্য বা কেন্দ্রীয়শাসিত অঞ্চলে আটকেপড়া মানুষজন সহ ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পড়ুয়াদের অন্তরাজ্য যাতায়াতের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা থাকছে না, তবে কিছু বিশেষ নির্দেশিকার উল্লেখ থাকছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই নির্দেশিকায়।

আরও পড়ুন: রেশন সামগ্রীর জন্য তীর্থযাত্রা আলিপুরদুয়ারে!

নির্দেশিকায় পরিষ্কার বলা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্য থেকে কাউকে পাঠানো কিংবা ফেরত আনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আধিকারিকদের অনুমতি নিতে হবে এবং একসাথে অনেকের যাওয়া আসার ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদন নিতে হবে। আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিতে হবে, বাসের মাধ্যমে যাতায়াত করা যেতে পারে তবে প্রথমেই বাস টি কে স্যানিটাইজ করতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরী। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছানোর পর স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছ থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে পাশাপাশি মেনে চলতে হবে হোম কোয়ারেন্টাইনের বিধি নিষেধ। প্রত্যেক যাতায়াত কারী ব্যক্তিকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ ইন্সটল করে রাখতে হবে,তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য।

Related Articles

Back to top button
Close