fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

সাপ্তাহিক ২ দিনের লকডাউনে কলকাতা বিমানবন্দরে উড়ান পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে উর্ধ্বগামী করোনা সংক্রমণ রুখতে সাপ্তাহিক ২ দিনের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের লকডাউন অনেকাংশে সফল হলেও রেল এবং বিমান পরিষেবা বন্ধ না থাকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বাস ও গাড়ির ব্যবস্থা করতে হয়েছে রাজ্যকে। সেই কারণে পরবর্তী লকডাউনের দিনগুলিতে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্য বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। সেই আবেদনে সাড়া দিল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক।  দুই লকডাউনের দিনে কোনও বিমান চলাচল করবে না বলেই জানানো হয়েছে।
নবান্নের তরফে আপাতত যে ক’দিন লকডাউনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তা হল শনিবার ও আগামী সপ্তাহের বুধবার। এর আগেও বিমান পরিষেবা চালু থাকার কারণে রাজ্যে প্রচুর যাত্রী ঢোকার কারণে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিল রাজ্য। কারণ বিমানবন্দরে সমস্ত যাত্রীকে এক ভাবে চেকিং করা সম্ভব হচ্ছিল না। তার ওপরে করোনা সংক্রামিত ৬ টি শহর থেকে উড়ান বন্ধ থাকায় ঘুরপথে অন্য রাজ্যে গিয়ে সেই রাজ্য থেকে আসছিলেন অনেকে। তাই সাপ্তাহিক লকজাউন চলাকালীন সম্পূর্ণ বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার আবেদন জানায় রাজ্য প্রশাসন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই এই দু’দিন কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সব যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। অবশ্য তার পরের লকডাউনের দিনগুলিতে কী হবে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। রাজ্যের তরফে পরের লকডাউনের দিনগুলো অবশ্য এখনও ঘোষণা করা হয়নি। সেটা করা হলে সেই দিনগুলিতে কী হবে,  বিমানমন্ত্রকের তরফে সেই ঘোষণাও হয়তো করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকার জন্য অবশ্য এর আগেও বহুবার বিমান পরিষেবাকে দায়ী করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা, বারবার কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছেন বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য। আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা তো বটেই, অন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবার ক্ষেত্রেও আপত্তি ছিল রাজ্যের। নবান্নের তরফে আবেদন করা হয়েছিল মহারাষ্ট্র, দিল্লির মতো বেশি করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলির ৬ টি শহর থেকে আসা বিমানের সংখ্যা যাতে কমানো হয়। সেই আবেদনেও সাড়া দেয় বিমানমন্ত্রক। এবার ফের লকডাউনে সম্পূর্ণ বিমান বন্ধ থাকার আবেদনে সাড়া দিল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক।

Related Articles

Back to top button
Close