fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

‘মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল কালামের জন্মজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দেশের ১১ তম রাষ্ট্রপতি তথা মহান বিজ্ঞানী ভারতরত্ন ডঃ এপিজে আবদুল কালামের  জন্মজয়ন্তী। এই মহান বিজ্ঞানীর জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে লেখেন যে,  “ডঃ কালামের জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। ভারতের উন্নয়নের প্রতি ওনার অবদান প্রচুর।” অমিত শাহ টুইটে লিখেছেন যে, “ডঃ এপিজে আবদুল কালামকে জন্ম জয়ন্তীতে প্রণাম। ভারতের মহাকাশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রোগ্রামের নির্মাতা ছিলেন তিনি।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং লেখেন, ‘প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ এপিজে আবদুল কালামকে  জন্ম জয়ন্তীতে অসংখ্য প্রণাম। তিনি আমাদের আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেন এখনও।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাবেড়কর লেখেন, “প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ আবদুল কালামের জয়ন্তীতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। ২১ শতাব্দীর ভারতকে সমর্থ, শক্তিশালী আর সক্ষম বানানোর জন্য ওনার অবদান অতুলনীয়। উনি দেশের যুবদের অনুপ্রেরণার উৎস।”

[আরও পড়ুন- সড়কপথে যুক্ত হবে শ্রীনগর-লেহ, শুরু হল জোজিলা টানেলের কাজ]

উল্লেখ্য, রামেশ্বরমে ১৫ই অক্টোবর ১৯৩১ সালে উনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এপিজে আব্দুল কালাম। কালাম তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন একজন বিজ্ঞানী হিসেবে। পরে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি পদার্থবিদ্যা বিষয়ে সেন্ট জোসেফ’স কলেজ থেকে এবং বিমান প্রযুক্তিবিদ্যা (এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) বিষয় নিয়ে মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এম আই টি) থেকে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর চল্লিশ বছর তিনি প্রধানত রক্ষা অনুসন্ধান ও বিকাশ সংগঠন (ডিআরডিও) ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় (ইসরো) বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান প্রশাসক হিসেবে কাজ করেন।

ভারতের অসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি ও সামরিক সুসংহত নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে  তিনি অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত ছিলেন। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযানবাহী রকেট  উন্নয়নের কাজে তাঁর অবদানের জন্য তাকে ‘ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব’ বা ‘মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া’ বলা হয়। ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পরমাণু বোমা পরীক্ষায় তিনি প্রধান সাংগঠনিক, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেন। এটি ছিল ১৯৭৪ সালে স্মাইলিং বুদ্ধ নামে পরিচিত প্রথম পরমাণু বোমা পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরমাণু বোমা পরীক্ষা।

২০০২ সালে কালাম তৎকালীন শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি  ও বিরোধী দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর এই পদে আসীন থাকার পর তিনি শিক্ষাবিদ, লেখক ও জনসেবকের সাধারণ জীবন বেছে নেন। ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ভারতরত্ন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছিলেন কালাম।

Related Articles

Back to top button
Close