fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বুলানপুর গ্রামবাসীদের অভাব-অভিযোগের কথা শুনলেন বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো

সুদর্শন বেরা ,পশ্চিম মেদিনীপুর:  বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনী বিধানসভার অন্তর্গত গোয়ালতোড় থানার পিংবনি অঞ্চলের বুলানপুর গ্রাম। বৃহস্পতিবার বিকালে বুলানপুর গ্রামে গিয়ে একের পর এক গ্রামবাসীর সাথে কথা বলেন বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো। গ্রামবাসীদের বাড়ির সামনে বসে তাদের অভাব-অভিযোগের কথা তিনি মন দিয়ে শোনেন।তিনি গ্রামবাসী দের কাছে জানতে চায় সরকারি প্রকল্পগুলির তারা সাহায্য পেয়েছেন কিনা। গ্রামবাসীরা সরকারী প্রকল্পের সাহায্য পাচ্ছেন বলে জানায়। গ্রামবাসীরা তাদের অভিযোগের কথা জানান। অনেকেই জানান যে তাদের বাড়ি নেই , তারা বাড়ি পায়নি। তাদের তিনি আশ্বস্ত করে বলেন ধাপে ধাপে প্রতিটি মানুষের পাকা বাড়ি হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকার প্রতিটি মানুষের মাথা গোঁজার জন্য বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ইতিমধ্যে বেশকিছু বাড়ি তৈরি হয়ে গেছে। যাদের কিছুই নেই তাদের বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে তিনি বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং একটি এসটি সম্প্রদায়ের বয়স্ক মানুষ ভাতা পাচ্ছেন কিনা তাও তিনি খোঁজ নেন। সেই সঙ্গে ঠিকভাবে রেশনের চাল পাচ্ছেন কিনা সেটা ভালোভাবে খোঁজ নেন ।ওই গ্রামে গিয়ে তিনি বুলানপুর গ্রামের গ্রামবাসীদের বলেন ২০১১ সালের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি অনেকবার এই এলাকায় এসেছেন। এই এলাকার মানুষের দাবি গুলি যথাস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন। সেই দাবিগুলি একের পর এক রূপায়িত হচ্ছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে, পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়েছে এবং এলাকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করছেন। তিনি বলেন ২০১১ সালে তিনি প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তারপর থেকে শালবনি বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন গ্রামে তিনি ছুটে গিয়েছেন। বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষের উন্নয়নে করছেন। তাই তিনি গরীব মানুষের উন্নয়নে একের পর এক কাজ করছেন।

স্বাস্থ্যপরিষেবা থেকে ছেলেমেয়েদের শিক্ষার জন্য কাজ করছেন। ৫৬ টি প্রকল্প চালু করেছে রাজ্যসরকার।যা ভারতবর্ষের কোন রাজ্যে নেই। তিনি বলেন আপনারা আমার ফোন নম্বর নিয়ে রাখুন যখন কোন বিপদে পড়বেন আমাকে বলবেন। আমি আপনাদের পাশে এসে দাঁড়াবো। আমি বিধায়ক থাকি না থাকি সেটা বড় কথা নয় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সৈনিক। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি মানুষের সেবা করার কাজ চালিয়ে যাবো ।তাই তিনি বামেদের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটের দিন ঘরে বসে না থেকে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন । গ্রামবাসীরা বলেন বিধায়ক ঘরে বসে থাকেন না, তিনি মানুষের পাশে থাকেন। তাই তিনি মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার জন্য গ্রামে এসেছেন। তাই গ্রামবাসীরা বিধায়ক কে কাছে পেয়ে খুব খুশি এবং তারা বিধায়ককে বলেন আমরা দিদির পাশে রয়েছি দিদিকে তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই। তাই দিদির সৈনিক হিসেবে তারা বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো কে তাদের সমস্ত দাবি-দাওয়ার কথা জানান।

Related Articles

Back to top button
Close