fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

হোয়াইট হাউসে মোদি- বাইডেন বৈঠক, নতুন অধ্যায় শুরু, মন্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমেরিকায় পালাবদলের পর এই প্রথম সে দেশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আফগানিস্তানে তালিবানি উত্থানের পর মোদি- বাইডেনের বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। এদিন করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, দুই দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি, কোয়াড-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওভাল অফিসে বৈঠক করেন মোদি এবং বাইডেন। বৈঠকে বাইডেন বলেন,” নতুন অধ্যায় শুরু করলাম। ভারত-আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুই গণতন্ত্রের বন্ধুত্ব। এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ করোনা মহামারি। যতদিন যাবে বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী হবে”। এদিনের বৈঠক নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা গিয়েছে আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতেই তার বাইরে জড়ো হয়ে যান অনেকেই। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বাসিন্দারা। বৈঠকের শুরুতেই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান মোদি। তিনি বলেন,” আমার ও আমার সফরসঙ্গীদের যেভাবে আপনারা উষ্ণ অভ্যর্থনা করেছেন, তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। আগেই আমরা বৈঠক করার সুযোগ পেয়েছি। সেবার আপনি ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিশন পেশ করেছিলেন। আপনার নেতৃত্বে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে নতুন করে বীজ বপন করা হয়েছে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই দুটি দেশ পরস্পরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”। এর পাশাপাশি মহাত্মা গান্ধীর কথা তুলে ধরে গ্লোবাল ওয়ার্মিং রোখার আহ্বান জানান মোদি। পাল্টা মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাইডেন বলেছেন, নতুন অধ্যায় তাঁরা শুরু করছেন।

এর আগে আমেরিকার ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সবার চোখ ছিল মোদি-বাইডেনের বৈঠকের দিকে।

উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত সবসময়ই সরব। আফগানিস্তানে পালাবদলের পর দেশের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত নয়াদিল্লি। ঠিক এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির সুন্দর সম্পর্কের কথা সবার জানা। তাই বাইডেনের সঙ্গে মোদির বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সবাই। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এদিন বৈঠক হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close