fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

কেন্দ্র-রাজ্য সামঞ্জস্যের কথা মনে করিয়ে দিয়ে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের তোপ মোদীর

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই মতোই বৈঠক শুরু হয় ভার্চুয়ালি। করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম ও দ্বিতীয় মহামারির সময় ভারত যেভাবে লড়াই করেছে সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোদী বলেন, ভারতের অবস্থা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো আছে। কঠিন সময়ে ভারত অন্যান্য দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে, ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। করোনা ভারতের কাছে একটি চ্যালেঞ্জ। কোভিড ভ্যাকসিক খুব কাজে লেগেছে। আর সেই কারণে তৃতীয় ঢেউ সেইভাবে সংক্রমণ ছড়াতে পারেনি। তবে কিছু রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। করোনা থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিনই একমাত্র রক্ষাকবচ। রাজ্যের মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। এখন প্রিকওশন ডোজও উপলব্ধ। ছোটদের ভ্যাকসিনই প্রাথমিক লক্ষ্য। বয়স্কদের বুস্টার ডোজও চলবে। ৬-১২ বছরের ভ্যাকসিনও শুরু হচ্ছে। করোনা রুখতে ভ্যাকসিন সবচেয়ে বড় অস্ত্র। জিনোম সিকোয়েন্সিং ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপরে জোর দিতে হবে। বয়স্কদের বুস্টার ডোজ চলবে।

এর পরেই এই বৈঠক থেকে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের ওপর লাগাতার কটাক্ষের জবাব দেন মোদী। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেট্রোল-ডিজেলের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে রাজ্যগুলির কাছে আবেদন করা হয়েছিল শুল্ক কমানোর জন্য। কিন্তু অনেক রাজ্যেই কেন্দ্রের আবেদনে সাড়া দেয়নি। কেন দেয়নি সেটা জানি না। রাজ্যের এই ব্যবহারের মাশুল দিতে হয়েছে রাজ্যবাসীকে। বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশের কথা উল্লেখ করে মোদী বলেন, শুল্ক না কমিয়ে নাগরিকদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। মোদী তীব্র কটাক্ষের সঙ্গে বলেন, রাজ্যগুলিকে দিকে আঙুল তুলে বলেন, দীর্ঘ ছয় মাস ধরে অনেক রাজস্ব পেয়েছেন আপনারা। এবার রাজ্যের নাগরিকদের কথা ভাবুন। এটা আমার আবেদন। যে রাজ্যগুলি কেন্দ্রের কথা শুনে চলেছে তারা ভালো আছে। সেখানে জ্বালানি মূল্য নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। আপনারা শুল্ক কমিয়ে নাগরিকদের সুরাহা করুন। সংকটের কেন্দ্র ও রাজ্য সামঞ্জস্য খুব জরুরি।

Related Articles

Back to top button
Close