fbpx
দেশহেডলাইন

‘আম্ফান’ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। ইতিমধ্যেই হাই অ্যালার্ট জারি করেছে হাওয়া অফিস। তাই সোমবার বিকেল ৪টে নাগাদ এ বিষয়ে বৈঠক করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতিবেগ বাড়িয়ে বুধবারের মধ্যেই বাংলা এবং ওড়িশার উপর আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। আবহাওয়া দফতরের শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ইতিমধ্যেই সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছে আম্ফান। ফলে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূলে জারি করা হয়েছে চরম সর্তকতা। আর এই বিষয়ে আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে এবং কিভাবে এই বিপদ টলানো যায় তা নির্ধারণ করতেই সোমবার বিকেল ৪ টের সময় বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নিতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে এদিন বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আগেই সতর্ক করেছে আমফান সোমবার সন্ধ্যার মধ্যেই সুপার সাইক্লোনে পরিণত হবে। পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূলগুলিতে বুধবার নাগাদ তা আছড়ে পরবে বলেও জানানো হয়েছে। ইন্ডিয়ান মিটিরিওলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট সোমবার সকালে জানিয়েছে, দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে সাইক্লোন আম্ফান। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশার জন্য জারি হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।

আম্ফান সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে নজর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং জাতীয় বিপর্যয় ম্যানেজমেন্ট অথরিটির সঙ্গে সোমবার বিকেল ৪টের সময় বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশা সরকারকে একটি উপদেষ্টায় জানানো হয়েছে, আম্ফান বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মাঝখান এবং সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সাইক্লোন আমফান সুপার সাইক্লোনে পরিণত হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনে করে পরিযায়ী শ্রমিকেরা ফিরছেন রায়গঞ্জে

বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। সোমবার ভোরেই এই খবর জানিয়েছেন মৌসম ভবন। এদিন ভোরে জানানো হয়েছে যে বঙ্গোপসাগরের মধ্যভাগে পৌঁছে গিয়েছে ভয়ঙ্কর এই ঘূর্ণিঝড়। মৌসম ভবনের আপডেট অনুযায়ী, সেইসময় ঝড়টি অবস্থান করছিল ওডিশঅর পারাদ্বীপ থেকে ৮৭০ কিলোমিটার দূরে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চরম আকার ধারণ করবে বলেও জানানো হয়।

অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমণি, শংকরপুর-সহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। দুর্যোগ এলে বাসিন্দাদের সরানোর জায়গা তৈরি রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলেই মানুষজনকে ফ্লাড সেন্টারে এনে রাখা হবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতে এনডিআরএফ-র এই সাতটি দল পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, ওডিশার পুরি, জগত্‍শিংপুর, কেন্দ্রপাড়া, বালাসোর, জপুর, ভদ্রক ও ময়ূরভঞ্জে ১০ টি দলকে পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close