fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জেলায় একশো দিনের কাজে কোনও অনিয়ম বরদাস্ত নয় : সাংসদ মহুয়া মৈত্র

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর : রাজ্যজুড়ে একশো দিনের কাজ শুরু হয়েছে, পিছিয়ে নেই নদীয়া জেলা ও। প্রতিটি গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনেই অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে এই কাজ চলছে। করোনা আবহে লকডাউন প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় শ্রমজীবী পরিবারগুলির মধ্যে খাদ্যাভাব সহ আর্থিক সংকট প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে।

 

 

এমতাবস্থায় একশো দিনের কাজ শুরু হওয়ায় স্বভাবতই খুশি জেলার প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষেরা। হাতে কাজ ফিরে আসায়,স্বাভাবিক জনজীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন তারা। সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রেখে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কং সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বার্তা, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রাপ্তিতে কোন অসদ চক্রকে বরদাস্ত নয়, অর্থাৎ একশো দিনের কাজের শেষে শ্রমিকদের কে তাদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিজেকেই বুঝে নিতে হবে,এই আহ্বানের পাশাপাশি কোন দালালচক্র এই প্রক্রিয়ার মধ্যে সক্রিয় হলে,যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

 

 

সাংসদ মহুয়া মৈত্র বিষয়টি আরো পরিষ্কার ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, একশো দিনের কাজে অংশগ্রহণকারী যদি কোন শ্রমিকের প্রাপ্য টাকা থেকে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত সুপারভাইজার, স্থানীয় সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত মেম্বার কিংবা দলীয় কোন নেতৃত্ব হিস্যা চায়, তাহলে প্রতিবাদ সহ সরাসরি অভিযোগ জানাতে হবে, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান,বি,ডি,ও কিংবা সাংসদ কেই। সাংসদের টেলিফোন নম্বর স্থানীয় যে কোন দলীয় কার্যালয় থেকেই পাওয়া যাবে বলে মহুয়া দেবী বার্তা দিয়েছেন। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির দক্ষ সংগঠক তথা সুবক্তা সাংসদ কে পেয়ে স্বভাবতই খুশি কৃষ্ণনগর শহরবাসী। আড়ালে আড়ালে কিংবা শুধুমাত্র টিভির পর্দায় নয়,একদম মাটিতে দাঁড়িয়ে সর্বস্তরের নাগরিকদের সঙ্গে মিলেমিশে একদম খোলামেলা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা জনসেবা করতে অভ্যস্ত সাংসদ মহুয়া মৈত্র ইতিপূর্বে বিধায়ক থাকাকালীন বিধানসভা কক্ষে এবং সম্প্রতি সাংসদ হওয়ায় পর সাংসদ কক্ষে জাতীয় প্রেক্ষাপট সহ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি দাওয়া আদায়ের ক্ষেত্রে তথ্যভি যতত্তিক প্রতিবেদন ও বক্তব্য উপস্থাপনে ঝড় তুলেছেন। রাজ্যকে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ সহ ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

Related Articles

Back to top button
Close