fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চাকুরী দেওয়ার নাম করে টাকা প্রতারণা, ধৃত ১

মিল্টন পাল, মালদা: স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকুরী দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করল সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। ধৃতকে বৃহস্পতিবার মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তবে এর পেছনে আরও বেশ কিছু ব্যক্তি জড়িত আছে বলে অনুমান পুলিশের। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইংরেজবাজার ও সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

মালদা সাইবার ক্রাইম থানা সূত্রে জানা যায়, ধৃত ব্যক্তি রাকেশ বেরা প্রতারণা চক্রের মূল পান্ডা। তার বাড়ি ইংরেজবাজার শহরের বিধানপল্লী এলাকায়। যদিও তার আসল বাড়ি শিলিগুড়ির বাগডোগরা থানার জয়তী নগরে। জানা যায়, রাকেশ ইংরেজবাজার শহরের মীরচক এলাকার বাসিন্দা পায়েল কুণ্ডু নামে এক মহিলার কাছ থেকে স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে ১২ লক্ষ টাকা নেয়। যদিও ১২ লক্ষ টাকার বদলে ১১ লক্ষ টাকাতে এই চাকরীর নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা ফাইনাল হয়। কথামতো পায়েল কুণ্ডু ব্যাংকের মাধ্যমে দেড় লক্ষ টাকা ও নিজের হাতে আরও এক লক্ষ টাকা নগদ রাকেশকে দেয়। গত এক মাস পেরিয়ে গেলেও রাকেশ পায়েল কুণ্ডুকে চাকুরির বিষয়ে কোনো যোগাযোগ করেনি। এ নিয়ে পায়েল কুণ্ডু বহুবার তার সাথে যোগাযোগ করতে গেলে দেখা মেলেনি।

গত এক মাস আগে পায়েল কুণ্ডুকে মেইল মারফৎ স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকরির জন্য একটি নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। যে নিয়োগপত্রটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। নিয়োগ পত্র দেখেই পায়েল কুণ্ডুর সন্দেহ হলে। পায়েল কুণ্ডু অভিযুক্ত রাকেশ বেড়ার কাছ থেকে টাকা ফেরতের দাবি জানায়। রাকেশ তাকে ৭০ হাজার টাকার একটি চেক ফেরত দেয়। কিন্তু দেখা যায় সেই চেক পায়েল কুণ্ডু ব্যাংকে জমা করলে সেই চেক বাউন্স হয়। দেখা যায় তার ব্যাংকে কোনও টাকা নেই। এরপরই পায়েল কুণ্ডু সোজা মালদার সাইবার ক্রাইম থানায় রাকেশ বেড়া, তার স্ত্রী সোনালী বেড়া ও তার স্ত্রীর এক বান্ধবী মৌমিতা মজুমদারের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ রাকেশ বেরাকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত রাকেশ বেরাকে মালদা জেলা আদালতে তোলা হয়েছে। যে ভাবে এই প্রতারণাচক্রের জাল ছড়িয়েছে। তাতে পুলিশের অনুমান, এর পেছন আরও অন্যরা রয়েছে।

পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না বা এর মাথা কে, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close