fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

হাতির মৃত্যুতে শোক দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: গত বছর দলমা দলের দাঁতালদের ড্রাইভ করানোর সময় বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তিনটি হাতির। তারপর গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যেগে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করেছিলেন। পাশাপাশি গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাদের খিচুড়ি খাইয়েছিল। এবারও আগামী দশ জুলাই হাতি মৃত্যুর শোক দিবস পালন করবেন গ্রামের বাসিন্দারা। ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর থানার কাঁকো অঞ্চলের সাতবাঁকি গ্রামে দশ জুলাই তথা শুক্রবার গ্রামবাসীদের উদ্যোগে পালিত হবে শোক দিবস। হাতির মাটির মুর্তির সামনে গ্রামের মানুষেরা ফুল মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন।

ইতিমধ্যে এদিন গ্রামের যুবকেরা হাতি তিনটির যেখানে মৃত্যু হয়েছিল সেখানে যে মঞ্চ রয়েছে তা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে সাফ সুতরো করে তুলেছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য বিদেয়ী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। এদিন দিনভর ছিল গ্রামে তোরজোড়। শুক্রবার সরকারি বিধি নিষেধ মনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই গ্রামবাসীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন।গ্রামবাসীরা জানান যেখানে হাতি তিনটির মৃত্যু হয়েছিল সেখানে বসানো হবে তিনটি মাটির তৈরি হাতির মুর্তি এবং গ্রামে প্রবেশ পথেও থাকবে আরো তিনটি হাতির মুর্তি।

উল্লেখ্য, গত বছর সাতবাঁকি গ্রামে বিদ্যুতের ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎপিষ্ঠ হয়ে হাতি তিনটির মৃত্যু হওয়ার পর থেকেই গ্রামবাসীরা সরব হয়েছিলেন এবং দাবি জানিয়েছিলেন গ্রামে কংক্রিটের তিনিটি হাতির মুর্তি বসানোর জন্য। যদিও গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। হাতির মৃত্যুর পর গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নিয়ে শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। এবার শুক্রবার হাতির শোক দিবস পালন করবেন গ্রামবাসীরা।

গ্রামের বাসিন্দা তমাল মাহাতো বলেন, “ গত বছর আমাদের গ্রামে তিনটি হাতি বিদ্যৎপিষ্ঠ হয়ে মর্মান্তিক ভাবে মারা গিয়েছিল। হাতি গুলির আত্মার শান্তীর উদ্দেশ্যে আমরা দশ জুলাই গ্রামবাসীরা সরকারি নিয়ম মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শোক দিবস পালন করব। ফুল, মালা দেওয়া হবে হাতির মাটির মুর্তির সামনে।যেখানে হাতি গুলি মারা গিয়েছিল সেখানে তিনটি হাতির মুর্তি বসবে এবং গ্রামের রাস্তাতেও আরো তিনটি মুর্তি বসানো হবে।”

Related Articles

Back to top button
Close