fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সর্ব সাধারণকে সঙ্গে নিয়ে গণ আন্দোলনের ডাক সাংসদ জগন্নাথ সরকারের

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস :  তৃণমূল সরকারের সীমাহীন অত্যাচারে রাজ্যের মানুষ বীতশ্রদ্ধ,চরম অস্বস্থিতে দিন কাটাচ্ছেন তারা,আর বরদাস্ত নয়,রুখে দাঁড়াতে হবে। প্রতিরোধের আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে আর এক্ষেত্রে দলীয় কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি সামিল করাতে হবে সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণকে,এই আহ্বান সাংসদ জগন্নাথ সরকারের। গতকাল কৃষ্ণনগর জেলা উত্তরের একটি বিশেষ সাংগঠনিক কার্যকারিনী বৈঠকে যোগদান করেন তিনি। সেখানেই কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি সহ রাজ্যের অত্যাচারী শাসক, তৃণমূলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আগামীর কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে গ্ৰামীণ জনসংযোগ বৃদ্ধি সহ গ্ৰামের সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে সংঘবদ্ধ হওয়ায় আহ্বান জানান।

জগন্নাথ বাবু এদিন দলের তিনটি কর্মসূচিতে অংশ নেন। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অধীন প্রথমটি শান্তিপুর দ্বিতীয় টি হবিবপুর এবং তৃতীয় টি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের অধীন কৃষ্ণনগর জেলা শহরে। পার্টি ক্লাস, সদস্য-সদস্যা সংগ্ৰহ অভিযান,কৃষি সুরক্ষা আইনের সমর্থনে সভা-সমিতি, সাংগঠনিক স্তরে গনসংগঠন গুলির নতুন কমিটি ঘোষণা, কেন্দ্রীয় প্রকল্প, আত্ম স্বনির্ভর ভারত প্রভৃতি নানা জনমুখী কর্মসূচি সহ সাংগঠনিক স্তরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান লেগেই আছে।অবসর নেই জগন্নাথ বাবুর। প্রতিদিন একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে হাজির হওয়া চাই-ই চাই,এ যেন, বিরামহীন রুটিন মাফিক কর্মসূচি।

আরও পড়ুন: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি

জগন্নাথ বাবুর সাফ কথা, রাজ্যের শাসন ক্ষমতা থেকে দূর্নীতি গ্ৰস্থ জগৎদল পাথরটি না সরানো পর্যন্ত ছুটি নেই। বাংলার মানুষ চরম অস্বস্থি এবং কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছে, আইনশৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়েছে,দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সকলের, রাজ্যের মানুষ এই অপশাসন থেকে মুক্তি চায়,তাই ছুটি বা বিশ্রাম নিলে চলবে না।  রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা বলে আমি মনে করি, অভিমত জগন্নাথ বাবুর। মানুষ স্বাভাবিক জনজীবন সহ মুক্ত বাতাস চায়;গৈরিক আবহে রাজ্যে বিজেপি সরকারের আবির্ভাবের মধ্য দিয়েই সেটা সম্ভব এবং সে ক্ষেত্রে আমার ভূমিকা সহ দায়িত্ব এবং কর্তব্য, আমাকে পালন করতেই হবে,আর আমি তাই-ই করছি।

Related Articles

Back to top button
Close