fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চিটফান্ড কান্ডে আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা সাংসদ জগন্নাথ সরকারের

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর : চিটফান্ড কান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দেশের পাঁচ কোটি আমানতকারী, প্রায় চল্লিশ লক্ষের উপর এজেন্ট এবং সিংহভাগ ক্ষতিগ্রস্তই এরাজ্যের। রাজ্য সরকার এদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, শ্যামল সেন কমিশন গঠন করেও টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া কেন এগোয়নি,এ প্রশ্নের জবাব দিতে হবে রাজ্য সরকারকেই। সংশ্লিষ্ট এজেন্টদের দূর্বিসহ যন্ত্রণার কথা কারো আজ অজানা হয়। একদিন আগে কৃষ্ণনগর জেলা শহরে ভুক্তভোগী এজেন্টদের পক্ষথেকে একটি কর্মসূচি পালন করা হয়, সাংসদ জগন্নাথ সরকার আন্দোলনকারীদের নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে, সাংসদ সর্বতোভাবে সাহায্য করতে রাজি আছি আছেন এবং প্রয়োজনে পূনরায় সংসদ কক্ষে বিষয়টি উপস্থাপন করবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,এজেন্টদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত সহ আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দাবিতে এদিনের আন্দোলনে উত্তাল কৃষ্ণনগর জেলা শহর। সংশ্লিষ্ট পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকা এজেন্টদের মহামিছিলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে কৃষ্ণনগর শহর।”অল বেঙ্গল চিটফান্ড সাফারারস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনস”, নদীয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ কার্যত মহা সমাবেশের রূপ নিয়েছিল। সংগঠনের জেলা সম্পাদক মহঃ ইব্রাহিম বিশ্বাস এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন,ছয় দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি, নদীয়া জেলার প্রশাসনিক প্রধান জেলা শাসক এবং জেলার আইনশৃঙ্খলার প্রধান জেলা পুলিশ সুপার কে প্রদান উপলক্ষে আমাদের এই কর্মসূচি।

আরও পড়ুন: ‘মোদিজি আমার সন্তানের মতো’, বললেন শাহিনবাগের প্রতিবাদী মুখ বিলকিস দাদি

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারী সহ এজেন্ট দের নিয়ে ছেলেখেলা করে চলেছে,কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার,এর ই প্রতিবাদে আমাদের গর্জে ওঠা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী টাকা ফেরতের জন্য বিশেষ কমিশন, বিচারপতি শ্যামল সেন কমিশন গঠনের পাশাপাশি বিড়ি-সিগারেটের উপর অতিরিক্ত দশ শতাংশ কর্ ধার্য করে টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি নেওয়া সত্বেও টাকা ফেরৎ প্রক্রিয়া কেন বন্ধ? জানতে চায় রাজ্যের জনগন। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ২০১৮ সালে ৯ ই ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করেছিলেন, এজেন্টদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হবে।কথা দিয়ে কথা রাখেন নি রাজ্য সরকার, রাজ্যের শাসক দলের সদার্থকে ভূমিকা আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। এজেন্টরা প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে,অনেক ক্ষেত্রেই শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে,অতি সম্প্রতি নদীয়ার বীরনগর,রানাঘাট এবং মাজদিয়ায় জঘন্ন ভাবে আক্রান্ত হয়েছে একাধিক এজেন্ট পরিবার।বিষয়গুলির সুস্থ্য সমাধানের প্রত্যাশায় আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছি।

নদীয়া জেলা শাসক এবং নদীয়া পুলিশ সুপার কে সংগঠনের পক্ষ থেকে ছয় দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান উপলক্ষে এই কর্মসূচি,শেষপর্যন্ত পুরো শহরকে অচল করে দেয়। নদীয়া জেলার প্রতিটি ব্লক থেকে কাতারে কাতারে ভুক্তভোগী এজেন্ট এই কর্মসূচি তে অংশ নেয়‌।

Related Articles

Back to top button
Close