fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সোমেন মিত্রের প্রয়াণে দিলীপ থেকে মুকুল-রাহুল জানালেন শ্রদ্ধার্ঘ্য

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  চলে গেলেন সোমেন মিত্র। আর ফেলে রেখে গেলেন এক নস্ট্যালজিয়া। রাজনীতির জগতে হল ইন্দ্রপতন।সোমেন মিত্রর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মী, বাংলার কংগ্রেসি ভাবধারার মানুষেরা তো বটেই, বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীরাও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মৃত্যুতে শোকাহত। বর্ষীয়ান এই নেতার প্রতি অন্তর থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী-রাহুল থেকে শুরু করে তাঁর সহকর্মীরা।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের প্রয়াণে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবাংলায় যে রাজনীতির পরম্পরা ছিল, তাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য দু’চারজন যে লোক ছিলেন তাঁর মধ্যে একজন সোমেনবাবু। তাঁর চলে যাওয়া একটা অধ্যায় শেষ হওয়া। সোমেন মিত্রর পরিবারের প্রতি তিনি এদিন শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করেন।”

সোমেন মিত্রের প্রয়াণে মুকুল রায় বলেন, এককালে কংগ্রেসী রাজনীতিতে সোমেন মিত্রের সঙ্গে বহু সময়ের সাক্ষী মুকুল রায়। মুকুল রায় এদি এই শোকবার্তা শুনেও একটি টুইট করেন, সেখানে তিনি লেখেন, ‘ সোমেন মিত্রের মৃত্যু সংবাদ শুনে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বাম বিরোধী লড়াইয়ের একটি নামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। সোমেন দাকে মিস করব। তাঁর স্মৃতি থেকে যাবে। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। ‘

আরও পড়ুন: সোমেন মিত্রর প্রয়াণে টুইটে শোকবার্তা রাজ্যপালের

সোমেন মিত্রের প্রয়াণে রাহুল সিনহা শোকজ্ঞাপন করেন। তিনি বললেন, ‘সোমেন মিত্রের মৃত্যুতে বাংলার রাজনীতিতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে তাঁর আমার মত পার্থক্য থাকলেও তাঁর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্টতা ছিল। রাজনৈতিক জীবনের উর্দ্ধে তিনি দরাজ মনের মানুষ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নক্ষত্র পতন, যা কোনও দিনই পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

Related Articles

Back to top button
Close