fbpx
কলকাতাহেডলাইন

একুশে রাজ্যের দায়িত্ব কি পাবেন মুকুল! ঠিক হবে লক্ষ্মীবারে

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: একুশের ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে এরাজ্যে কি ভূমিকা থাকবে মুকুল রায়ের? আদৌ কি এই সময়ের বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’ এ রাজ্যে কাজ করার সুযোগ পাবেন? এই প্রশ্নটা এখন রাজ্য রাজনীতির বড়ো চর্চা। কারণ সাধারণত বিজেপির সর্বভারতীয় নেতারা নিজের রাজ্যে দায়িত্ব পান না। মুকুলকে কী প্রথা ভেঙে বাংলার দায়িত্ব দেওয়া হবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

ওইদিন অর্থাৎ ১ অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উপস্থিত থাকবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি নাড্ডা, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় ও এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা। বিজেপির সাংগঠনিক নিয়ম অনুসারে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি ঠিক করে দেবেন সম্পাদক ও সহসভাপতিরা কে কোন দায়িত্বে থাকবেন। সুতরাং নতুন সহসভাপতি মুকুল রায় বাংলার দায়িত্ব পাবেন কি না জানা যাবে ওই দিনই।

বঙ্গ বিজেপির একটি সূত্র অবশ্য মনে করছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে মুকুল রায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্যই তাঁকে সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদ দেওয়া হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই অংশটি মনে করছে দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের চাঙ্গা করার ক্ষমতার সঙ্গে ভোটকুশলী মুকুল রায়ের অভিঞ্জতাকে কাজে লাগাতে চান কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন: বন্যার আশঙ্কা, এবার বাড়ি ছাড়ার নোটিশ পেলেন চন্দ্রবাবু নাইডু

দলের অন্য অংশটি বলছে মুকুল রায়ের সরকারি ঠিকানা দিল্লি, তিনি দিল্লির ভোটার। তাই বিজেপির সর্বভারতীয় নেতাকে নিজের রাজ্যে দায়িত্ব না দেওয়ায় যে রীতি আছে তাতেও সমস্যার কিছু নেই। মুকুল রায় নিজেও বলেছেন, ‘আমি দিল্লির ভোটার, কলকাতায় এলে সল্টলেকের গেস্ট হাউসে উঠি।’একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হলেও এখনও নির্দিষ্ট কোন দায়িত্ব পাই নি। দল যেখানে যা দায়িত্ব দেবে, পালন করবো।’ সৈন্য বাহিনী তৈরি, এবার সেই বাহিনীকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে তার রূপরেখা চূড়ান্ত হবে বৃহস্পতিবার। বাংলার রাজনৈতিক মহলের তাই কৌতুহলী নজর থাকবে এই বৈঠকের উপর।

Related Articles

Back to top button
Close