fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

একাধিক কর্মী করোনা সংক্রমিত, ৭ দিনের জন্য শিলিগুড়িতে বন্ধ স্টেট ব্যাঙ্কের প্রধান কার্যালয়

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: করোনার জেরে এবার শিলিগুড়িতে ধাক্কা লাগলো সোনার ব্যবসা ও ব্যাংক পরিষেবাতেও।শিলিগুড়িতে ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার বেশ কয়েকজন কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওই কর্মীরা করোনা সংক্রমিত অবস্থায় শহরের হিলকার্ট রোডে তাদের প্রধান কার্যালয় এসেছিলেন।

 

 

লালারস পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পর জানা যায় ওই কর্মীরা করোনায় সংক্রমিত। তখনই এই তথ্য উঠে আসে। তাই শিলিগুড়িতে স্টেট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্প্যানিটাইজ করার জন্য সাতদিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি দেখা হচ্ছে আক্রান্ত ওই ব্যাংক কর্মীদের সংস্পর্শে কারা কারা এসেছিলেন। প্রধান কার্যালয় বন্ধ থাকলেও শহরে স্টেট ব্যাংকের অন্যান্য শাখা, এটিএম এবং কিয়স্ক খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এদিকে একে একে সবজি, ফল ও মাছ বাজার বন্ধ হওয়ার পর এবার শহরের নিউ সিনেমা রোড ও কালিবাড়ি রোডে স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসায়ীরাও তাদের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখানকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বাজারেরও একজন  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সাবধানতা হিসেবেই কিছুদিনের জন্য তারা দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেট, চম্পাসারি বাজার প্রশাসনের থেকে আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেশকিছু বাজারে স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সোমবার রাত থেকে বিধান মার্কেট ব্যবসায়ীরাও কিছুদিনের জন্য তাদের সব দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি হংকং মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সোমবার থেকে সাত দিনের জন্য তাদের বাজার বন্ধ রেখেছেন।

 

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রশাসনের তরফে শিলিগুড়িতে বাজার গুলির উপর নিয়ন্ত্রণ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকার জন্য গঠিত টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক তথা পুরসভার কমিশনার সোনম ওয়াং দি ভুটিয়া মঙ্গলবার এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘কোন বাজার যাতে ঘিঞ্জি এলাকায় না থাকে, ক্রেতারা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করতে পারেন আমরা সেই দিকটাই প্রাধান্য দিচ্ছি। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফ্লাইওভারের পাশেই শহরের একটি বড় বাজার রয়েছে। অল্প জায়গায় বেশি দোকান হয়ে যাওয়ায় এখানে ক্রেতা বিক্রেতা কেউই সেভাবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখছেন না। সব সময় অযথা ভীড় লেগেই থাকছে। সম্প্রতি এই ওয়ার্ডের বেশ কয়েক জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই কারণে কয়েকদিনের মধ্যে ওই বাজারটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।’ বাজারের উপর প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ আনলেও শিলিগুড়িতে করোনার সংক্রমণ কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার সকালেও শহরে পাঁচজন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। এরমধ্যে তিনজন ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close