fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মেয়েকে খুন, অনার কিলিংয়ের অভিযোগ… ধৃত বাবা ও দাদা

তাপস মণ্ডল, হুগলি: নিজের মেয়েকে খুন করার অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীরামপুর থানার নিউ মাহেশ এলাকায়। মৃতের নাম ফুলকুমারী(১৮)। বাড়ি শ্রীরামপুরের নিউ মাহেশ এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ফুল কুমারী আগে শ্রীরামপু্র মাহেশে থাকতেন। সেখান থেকে সাতদিন আগে নিউ মাহেশে বাড়ি করে চলে আসেন। পাশাপাশি মৃতার বাবা জয়রাম রা একটু উগ্র প্রকৃতির মানুষ। জয়রাম রায়ের সঙ্গে তার নতুন প্রতিবেশীদের সঙ্গে সদভাব ছিল না। সেই কারণেই মেয়ে ওই এলাকায় কয়েকজন মহিলার সঙ্গে কথাবার্তা ও সদভাব রাখার চেষ্টা করেছিল। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলাটা জয়রাম রায় পছন্দ করছিল না বলে খবর।

আরও পড়ুন:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম! ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা কমলা আমেরিকায় ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলকুমারীরা দুই ভাই ও এক বোন। মাহেশ এলাকার একটি ছেলের সঙ্গে ফুল কুমারীর একটি সম্পর্ক ছিল। মেয়ের বাবার সন্দেহ ছিল নতুন প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় ফের যদি ওই ছেলেটির সঙ্গে তার মেয়ের যোগাযোগ হয়ে যায় তবে বিষয়টি খারাপ হতে পারে। এই আশঙ্কা থেকে মঙ্গলবার রাতে ফুলকুমারীকে ঘরে ডেকে নিয়ে যায় মেয়ের বাবা ও দাদা বিধানকুমার রায়। কিছুক্ষণ পর অপর ভাই বাইরে বেরিয়ে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের ডাকেন। এই ঘটনার পর জয়রাম রায় ও বিধানকুমার রায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় বলে খবর। এরপর প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে দেখেন ফুলকুমারী নিস্তেজ হয়ে গিয়েছে। ঘটনার খরব পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় শ্রীরামপুর থানার পুলিশ। এরপর তারা ফুলকুমারীকে শ্রীরামপুর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় পুলিশ জয়রাম রায় ও বিধানকুমার রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করেন। ওই এলাকার সাধারণ মানুষের একাংশের ধারণা এই গোটা ঘটনাটি অনার কিলিং হলেও হয়ে থাকতে পারে। তবে শ্রীরামপুরের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার বিজয়কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, মৃতার বাবা জয়রাম রায় ও দাদা বিধানকুমার রায়কে জিগ্যাসাবাদের জন্যে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর মৃতার গলায় একটা দাগ পাওয়া গিয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত সঠিক ভাবে কিছু বলা যাবে না।

Related Articles

Back to top button
Close