fbpx
অসমগুরুত্বপূর্ণবিনোদনহেডলাইন

সঙ্গীতশিল্পী শিবানী দাস আন্তর্জাতিক সন্মানের ইতিহাস গড়লেন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সঙ্গীতশিল্পী শিবানী দাস সম্প্রতি এক অনবদ্য নজির সৃষ্টি করলেন, বিশ্ব মানের স্বীকৃতি আদায় করে নিলেন তাঁর একান্ত অধ্যাবসায় ও প্রচেষ্টার ফলে। বিশ্ব সঙ্গীত সাহিত্য ও সংস্কৃতি সন্মেলনের কর্ণধার তথা প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সমাজসেবক রাধাকান্ত সরকারের ছত্রছায়ায় নিজেকে চারিদিকে বিস্তার করতে সচেস্ত হয়েছেন।

শিল্পী গত ১ সেপ্টেম্বর অর্জন করেন বিশ্ব সন্মান। শিল্পী নিজের একাগ্রতা, সাধনা ও বুদ্ধিমতার ফল স্বরূপ ‘আন্তর্জাতিক সন্মান’-এর মতোন উজ্জ্বল সন্মান করায়ত্ব করতে ৩ ঘণ্টা ১১ মিনিটে নন স্টপ ৪০টি গান গেয়ে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। শিল্পীকে ইন্টারন্যাশনাল বুক অব রেকর্ডসের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। ৪০টি গানের মধ্যে তিনি হিন্দি ও বাংলা গান করেন। শিল্পী ৪ আগস্ট গান রেকর্ডিং করেন। এই গানগুলির মধ্যে ‘ভজলে রাম নাম সুখ ধাম’ গানের মাধ্যমে শুরু করে একের পর এক যেমন- ‘চুরা লিয়া’, ‘বলছি তোমার গানে গানে’, ‘বড় আশা করে’, ‘মেরা জীবন কোরা কাগজ,’ ‘কথা হয়েছিল,’ ‘সাগর কিনারে’, ‘দিলবর দিলবর’ ইত্যাদি সহ সর্বশেষ ‘এ মেরা দিল’ গেয়ে মোট ৪০টি গান নিপুণভাবে সম্পূর্ণ করেন। এতে কলকাতা থেকে প্রধান সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক-নাট্যকার রাধাকান্ত সরকার, সমাজসেবী ছবি সরকার, রেকর্ডিস্ট চন্দন ঘোষ, ভিডিওগ্রাফার দীপক চৌধুরী ও ছেলে সৌভিক দাস।

আরও পড়ুন: মহালয়ের ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের কন্ঠে শোনা যাবে চণ্ডীপাঠ, পুজোর ৭ দিন আগে বাজবে না মহিষাসুরমর্দিনী: আকাশবাণী

শিবানী দাস অসমের করিমগঞ্জের মেয়ে হলেও সঙ্গীতের কারণে মহানগরী কলকাতায় চলে আসেন। তিনি গানকে পাথেয় করে বর্তমানে কলকাতার শীর্ষস্থানীয় বাংলা সংবাদপত্র ‘যুগশঙ্খ’ পত্রিকার কাজে নিয়োজিত এবং বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য সংস্কৃতি সন্মেলনের সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা (কেন্দ্রীয়)। জানা গেছে, মহিলা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে এই প্রথম শিবানী দাস এমন একটি সন্মানের অধিকারী হলেন। রবীন্দ্র কুমার দাস ও সুনীতি দাসের তিন মেয়ের মধ্য বড় মেয়ে শিবানী দাস। গানের টানে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র তিলোত্তমা কলকাতায় চলে আসা। শিল্পীর সাফল্যে সমগ্র অসম-পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত সংস্কৃতিপ্রেমী খুশি ও গর্বিত।

       আরও পড়ুন: ‘আমরা আমাদের জমির এক ইঞ্চিও ছাড়ব না’, কড়া হুঁশিয়ারি চিনের

সকল সঙ্গীতপিপাসু মানুষ শিবানী দাসের সুমধুর কণ্ঠে প্রতিনিয়ত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে পাবেন এবং তাঁর ভার্সেটাইল প্রতিভার কদর করবেন আপামর জনগণের সঙ্গে অসংখ্য সঙ্গীতানুরাগী বিদগ্ধজনেরা। এর আগে নিজের একাগ্রতা, সাধনা ও বুদ্ধিমত্তার ফলস্বরূপ ‘আসাম বুক অব রেকর্ডস’-এর মতোন জাতীয়, জি-টাউন ম্যাগাজিনের ‘ভার্সেটাইল সিঙ্গার’ এবং ইন্ডিয়া বুক রেকর্ডসের উজ্জ্বল সন্মান কারায়ত্ব করতে সফল হয়েছেন। ‘আসাম বুক অব রেকর্ডস’-এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাপক  মনজিৎ শর্মা।

নানান ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে নিজেকে কঠিন বাস্তবের সহিত মোকাবিলা করে এগিয়ে নিয়ে চলা একটি একা মেয়ের পক্ষে যথেষ্ট কঠিন, পিছল ও পঙ্কিল পথে উৎসাহ জুগিয়ে থাকেন দুই বোন সীমা দাস, রেখা দে দাস, বোনঝি পঞ্চতপা দে, বিশ্ব বঙ্গ সন্মেলনের মতো একটি আন্তর্জাতিক মানের সংগঠনের প্রধান রাধাকান্ত সরকার, যুগশঙ্খ পরিবার, এক মাত্র ছেলে সৌভিক দাসসহ অগণিত ভালোবাসার মানুষ।

শিল্পী বলেন, বড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ও মা-বাবার আশীর্বাদে অনেক খানি রাস্তা পার করতে সক্ষম হয়েছেন শিবানী দাস। শিল্পী কর্মজীবন এবং সঙ্গীতজীবন দুটোকেই সমাজকে সম্প্রীতি ও ভাতৃত্বের বন্ধন বলে মনে করেন। সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত। পুজোতে নতুন গান রিলিজ করার ইচ্ছে রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close