fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আসাদুদ্দিন ওয়েইসির বাংলায় আগমন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মুসলিম নেতাদের

মোকতার হোসেন মন্ডল: আসাদুদ্দিন ওয়েইসির বাংলায় আগমন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে মুসলিম নেতারা। কেউ বলছেন, এতে বিজেপির সুবিধা হবে আবার কেউ বলছেন, মুসলিম বঞ্চনার জবাব দিতে মীম প্রয়োজন। আবার কেউ কেউ বলছেন, মুসলিম উন্নয়নের জন্য নিজেদের দল প্রয়োজন কিন্তু বিজেপি যেন লাভ করতে না পারে সেটা দেখতে হবে। অধ্যাপক আফসার আলি জানান, পশ্চিববঙ্গে মুসলিমদের রাজনৈতিক ভিত্তির জন্য ভালো ও সম্ভাবনাময় দিক খুলে গেল।

 

তথাকথিত টিএমসি, কংগ্রেস, বামরা যদি পশ্চিমবঙ্গে মিম ও আব্বাসকে নিয়ে জোট করে নির্বাচন লড়ে তাহলে সকলের লাভ। জোট না করলে মুসলিমদের লাভ তবে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ডাঃ আবু সাইদ বলেন,”মিম এলে তথাকথিত সেকুলার দলগুলোর কেবল বিজেপি জুজু দেখিয়ে ভোট আদায় করা বন্ধ হবে। ভোটের সময় লেঠেল হিসেবে  মুসলিমদের ব্যবহার করা বন্ধ হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে নরম হিন্দুত্বের সূক্ষ্ম প্রচার বন্ধ হবে। মিমের বিধায়কদের কংগ্রেস বা অন্যদলের মতো বিজেপিতে যাওয়ার নজির নেই।”

ভাষা ও চেতনা সমিতির অধ্যাপক ইমানুল হকের মন্তব্য,”বিজেপি যেমন হিন্দুদের ভালো করার নামে সর্বনাশ করছে, তেমন মিম মুসলিমদের ভালো করার নামে ক্ষতি করছে।” কংগ্রেসের চেয়ে ভালো ফল করায় মিমকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন সংখ্যালঘু নেতা মুহাম্মদ কামরুজ্জামান। যাদবপুর ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলছেন, ভয়ঙ্কর রকম বঞ্চনা ও দাস ভাবার ফলে দলিত ও সংখ্যালঘু সমাজ নিজেদের অধিকার নিয়ে ভাবছে। মীম আইডেন্টিটি পলিটিক্স করছে। উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করবে।

সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম বলেন,”বিহারে মিমের সাফল্য আগামী দিনে ভারতের প্রতিটি নির্বাচনে নির্দিষ্ট সমীকরণ নির্ণয় করবে। কংগ্রেসের নরম হিন্দুত্ব না হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য না মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে। বিহার নির্বাচনে কংগ্রেস কোনো উল্লেখযোগ্য ছাপ রাখতে সক্ষম হয়নি।”

Related Articles

Back to top button
Close