fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

রোহিঙ্গা আরাকান আর্মিকে মদত যোগাচ্ছে চিন, ক্ষুব্ধ মায়ানমার, পাশে চাইল ভারতকে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  ভারত, ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্সের পর এবার দেশের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অশান্ত করে তোলার জন্য চিনের বিরুদ্ধে আঙুল তুলল মায়ানমার। অভিযোগ বিগত কয়েক বছর ধরেই মায়ানমারের রোহিঙ্গা সমস্যা কি ইস্যু করে বারবার মায়ানমারকে আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলতে চাপ সৃষ্টি করছে বেজিং।

পশ্চিম মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত অঞ্চলে পরিচিত। আর সেখানেই দিনের-পর-দিন অস্ত্র অর্থ যোগান দিয়ে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি আর্সাকে (ARSA) করে তুলতে শক্তিশালী করতে সাহায্য করছে জিং পিং সরকার।

আরাকান আর্মি বা AA

সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন মায়ানমার আর্মির মুখপাত্র জিয়ান মিন থাউন। তিনি বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র গাইডেড মিসাইল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ওই বিদ্রোহীদের যোগান দিচ্ছে চিন।‌ যার আর্থিক মূল্য কমপক্ষে ৭০০ থেকে ৯০০ কোটি ইউ এস ডলার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আরাকান আর্মি বা AA মায়ানমারে একটি নিষিদ্ধ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বলে পরিচিত। ‌ আর সেই গোষ্ঠীকেই দিনের পর দিন আর্থিক ও অস্ত্র সহায়তা জুগিয়ে সুচি সরকারের চক্ষুশূল হয়েছে চিন।

উল্লেখ্য ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল মায়ানমারকে। সেই সুখেই হাতিয়ার করে এবার মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছে চিন। যার ফলে একদিকে চীনের রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মায়ানমার রের সঙ্গে দরকষাকষি তে অনেকটাই সাহায্য করবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল‌।

কিন্তু বিষয়টি যে ইতিমধ্যেই হিতে বিপরীত হবে তা বুঝতে পারেনি বেজিং। আরাকান আর্মি কে মধুর জোগানোর বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্তরে ইতিমধ্যেই তুলে ধরতে শুরু করেছে মায়ানমার পাশে চেয়েছে ভারতকেও । আগামী দিনে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে মায়ানমার এফের গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে সে দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সেজন্য তারা চিনকে দায়ী করেছে। আর এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে এবং আরাকান আর্মির নিষ্ক্রিয়করণ এর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মহলের পাশাপাশি ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে মায়ানমার সরকার।

উল্লেখ্য মায়ানমার ছাড়াও পূর্বে ভারতের সঙ্গে সংঘাত, দক্ষিণ-পূর্ব চিন সাগরে ভিয়েতনাম এবং ফিলিপিন্সের সঙ্গে সংঘাত, উত্তরে মঙ্গোলিয়া ও জাপানের মতন কমপক্ষে ১৮ টি দেশের ইতিমধ্যেই সংঘাতে জড়িয়ে রয়েছে বেজিং। এই পরিস্থিতিতে এবার নতুন করে মায়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে কতটা বেকায়দায় পড়তে হয় বেজিং কে সেটাই দেখার।

Related Articles

Back to top button
Close