fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূলের কটাক্ষের মুখে দিলীপ ঘোষের উত্তর, ‘এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় কেনাবেচা, এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন’

শ্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: প্রতিদিনের মতো আজ সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ইকোপার্কের আইফেল টাওয়ারের কাছে প্রতিদিনের মতো যখন দিলীপ ঘোষ যোগাভ্যাস করছিলেন ঠিক সেই সময় কিছুটা দূরে রাজারহাট-নিউটাউন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আফতাব উদ্দিন জনা তিরিশ কর্মী নিয়ে ‘সব বেচে দে’ গেঞ্জি পড়ে অভিনব কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান।

তৃণমূল কর্মীরা মুখে কিছু না বললেও তাদের সব বেচে দে গেঞ্জিতে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, রেল, বিমান পরিষেবা সহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বেসরকারিকরণের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন রাজারহাট- নিউটাউন তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীরা।
এবিষয়ে মহম্মদ আফতাব উদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজারহাট নিউটাউন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা প্রতিদিন ইকোপার্ক সংলগ্ন এলাকায় প্র্যাকটিস করতে আসি। আগেও আসতাম আজও এসেছি। মাঝখানে কিছুদিন আসিনি। আজ এসেছি। এটা আমাদের নিজেদের জায়গা, নিজেদের পাড়া। সুতরাং প্র্যাকটিসে রোজই আসি আজকেও এসেছি।

আরও পড়ুন: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিচারণায় পরিচালক সুশান্ত পালচৌধুরী

সবাই এক রকম লেখা গেঞ্জি পরে এসেছেন সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ভারতবর্ষের সরকার বেচুরাম সরকারে পরিণত হয়েছে। ভারতবর্ষের সমস্ত লাভজনক সংস্থা বিক্রি করে দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে একটা টোকেন প্রতিবাদ করতে রাজারহাট- নিউটাউনের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীদের দু হাজার গেঞ্জি তুলে দিয়েছিলাম। পরে আবার আরও দুহাজার গেঞ্জি দিয়েছিলাম। এটার মধ্যে দিয়ে একটা প্রতিবাদ করা’।

এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় সব কিছু কেনা বেচা করছিলেন। এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন। আমি বলছি ওয়েল কাম, খুব ভালো কথা। রাস্তায় আসো কে কাকে বেচছে সে তো সবাই জানে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার আগে সব বেচে দে। চলুন সব বিক্রি করুন। এরপর হবে সব কিনে নে। এই যে কেনা বেচার যে বিজনেস এটা পশ্চিমবাংলায় আর চলবে না’।

Related Articles

Back to top button
Close