fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পরিয়ায়ী ট্রেন নিয়ে নবান্ন-রেল…. নয়া তরজা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের তরজা অব্যাহত রইল। শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে শ্রমিকদের ফেরানোর বিষয়ে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার অভিযোগ করেন।

তৃণমূলের তরফে তখনই পাল্টা তোপ দাগেন ডেরেক ও ব্রায়েন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তাঁরা অভিযোগ করেন অমিত শাহ মিথ্যা কথা বলছেন। শ্রমিক স্পেশাল নিয়ে চাপান-উতোরের মধ্যেই রাতে রেলের তরফে টুইট করে বলা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠির পরই শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে তৎপর হয়েছে রাজ্য। শনিবার বেশি রাতে পাল্টা টুইট করে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রেল মন্ত্রকের এই দাবি ঠিক নয়।

প্রসঙ্গত, শনিবার বিকেলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন রাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার জন্য গত ৩ মে থেকেই বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যায় রাতে রেলের টুইট প্রকাশ্যে আসার পর।ওই টুইটে লেখা হয় বিভিন্ন রাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার জন্য ৩০০ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে তারা। পশ্চিমবঙ্গের বিষয়ে বলা হয়, আগে এর্নাকূলাম ও আজমের শরিফ থেকে শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল রেলকে।

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিঠি পাঠানোর পরে পঞ্জাব ও তামিলনাড়ু থেকে ২টি, কর্ণাটক থেকে ৩ টি ও তেলেঙ্গানা থেকে ১ টি ট্রেনের আবেদন জমা পড়েছে। মন্ত্রক অনুমোদন ও করেছে। তৃতীয় টুইটে দাবি করা হয়েছে মহারাষ্ট্র থেকে কোনও ট্রেনের জন্য রাজ্য এখনও আবেদন করেনি। রেল আরও দাবি করেছে আরও ৬ টি ট্রেনের প্রস্তাব নবান্নে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও সবুজ সংকেত আসেনি।

রেলমন্ত্রকের এই টুইটের পর রাত ১১ টা নাগাদ পাল্টা টুইট করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন রেলমন্ত্রকের বক্তব্য ঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। একইসঙ্গে উল্লেখ করেন পঞ্জাব, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও তামিলনাড়ুর ট্রেনগুলি ৮ মে অনুমোদন করেছিল রাজ্য সরকার। ইঙ্গিতটা খুব স্পষ্ট। তা হল অমিত শাহের চিঠি আসার পর রাজ্য পরিযায়ী শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে এই দাবি ঠিক নয়। একইসঙ্গে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে শনিবার নতুন করে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন দেখার কোথাকার জল কোথায় দাঁড়ায়।

Related Articles

Back to top button
Close