fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নদীয়ার কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে এবার থেকে হবে করোনা টেস্ট

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: আর কলকাতা নয়, এ বার নদীয়া জেলার করোনা সন্দেহভাজনদের লালারস পরীক্ষা করা হবে কল্যানীতেই। সন্দেহজনক কোনও রোগীদের সোয়াব বা লালারসের নমুনার পরীক্ষা এখন থেকে হবে কল্যানীর জেএনএম হাসপাতালেই। আইসিএমআর-এর ছাড়পত্র ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতরে। এমনটাই জানালেন জেএনএম হাসপাতালের সুপার অভিজিৎ মুখার্জী।

করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার জন্য এতদিন জেলা থেকে কলকাতার নাইসেডে নমুনা পাঠাতে হত। রাজ্যের সব প্রান্ত থেকে সেখানেই আসত নমুনা। ক্রমশ বাড়ছিল চাপ। তা লাঘব করতে নদীয়া জেলাতেও করোনার নমুনা পরীক্ষার কেন্দ্র চালু করার প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে।

এই বিষয়ে অভিজিৎ বাবু বলেন, ৭-৮ দিনের মধ্যেই করোনা টেস্টের ল্যাব তৈরি করা হয়। হাসপাতাল লাগোয়া একটি খালি ব্লিন্ডিং ছিল সেটিকেই করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হয়। খুবই কম সময়ের মধ্যে ল্যাবটির কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই ল্যাব টি পরিদর্শন করে গিয়েছেন জেলা শাসক বিভূ গোয়েল ও জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। মিলেছে আইসিএমআরের ছাড়পত্র। ৪-৫ দিনের মধ্যে এখান থেকেই হবে করোনার পরীক্ষা।

তিনি আরও বলেন, ল্যাবটি পুরোপুরি চালু হয়ে যাওয়ার পর আপাতত প্রতিদিন ১৮০-২০০ জনের করোনা টেস্ট করা হবে। পরবর্তীতে এই সংখ্যাটি আরও বাড়বে। শুধু তাই নয়, টেস্টের রিপোর্ট ও মিলবে কয়েক ঘন্টায়।

অনেকের মতে, করোনা সন্দেহভাজন রোগীদের লালারস সংগ্রহ করে কলকাতার নাইসেডে পাঠাতে প্রথম সমস্যা ছিল যাতায়াতের। নাইসেডে নদীয়া জেলা ছাড়াও রাজ্যের অন্য জেলা থেকেও লালারস পাঠানো হত। সেক্ষেত্রে ব্যাপক চাপ পড়ত নাইসেডে। এর ফলে রিপোর্ট পেতে সময় লাগতো বেশ কিছুদিন। এবার এই ছাড়পত্র মেলায় অনেকটাই সুবিধা হবে বলে মঙ্গলবার আশা প্রকাশ করেন জেএনএম হাসপাতালের সুপার।

অভিজিৎ মুখার্জী আরও বলেন, স্বাস্থ্য দফতর থেকে অনুমতি মেলার পর থেকেই কাজ শুরু হয়েছিল করোনা নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রটির। ল্যাবটি পরিচালনার জন্য আর জি কর হাসপাতালের ল্যাবে প্রশিক্ষন নিয়েছেন হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীরা। এই করোনা নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর শুধু নদীয়া নয় হুগলী, উত্তর ২৪ পরগনার জেলার মানুষরাও উপকৃত হবেন।

Related Articles

Back to top button
Close