fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নদীয়া, শুরু খেয়া পারাপার

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: বাংলায় এখনও সংক্রমণের পরিমাণ কমেনি। নদীয়ায় দিন দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিকে দীর্ঘ লকজাউনে অনেকেই রোজগার হারিয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতেই রাজ্যে সোমবার থেকেই চালু হল একাধিক পরিষেবা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হল ভাগীরথী নদীতে খেয়া পারাপার,। আতঙ্কের মাঝেও খুশি যাত্রীরা।  নদীয়ার শান্তিপুর থানার গুপ্তিপাড়া ঘাট এর শান্তিপুর পৌরসভা পরিচালিত খেয়াঘাটের লঞ্চ চলাচল ফের শুরু হল। এপাড়ে নদিয়া অপরপ্রান্তে হুগলি। লঞ্চে ছোট গাড়িও পারাপার করা শুরু করেছে আজ থেকে। তবে যাত্রী সংখ্যা ছিল নেহাতই কম। যাত্রীরা জানান, কাজের সূত্রে দীর্ঘদিন পর লঞ্চে করে হুগলী যেতে পারছেন তাঁরা। মুখে খুশির হাসি থাকলেও মনে আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে জন জীবন।

আরও পড়ুন: ফের বিজেপি সাংসদকে হেনস্থা, গাড়ি আটকালো শান্তিপুর থানার পুলিশ

গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনজীবন স্বাভাবিক করার একাধিক পরিকল্পনা জানিয়েছিলেন। সেই ঘোষণা মত জলপথের যান যাত্রা শুরু করলো।  চতুর্থ দফার লকডাউন শুরুর আগেই বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়ার ইঙ্গিত পেয়েছিল রাজ্যবাসী। সেই মতো শর্তসাপেক্ষে বেশ কিছু পরিষেবা শুরুও হয়েছে রাজ্যে। সামাজিক দূরত্বের বিধি বজায় রেখেই রাস্তায় নামছে সরকারি বাস। সেক্ষেত্রেও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক চালক ও যাত্রীর। রাখতে হচ্ছে স্যানিটাইজারও। তবে দীর্ঘদিন পর লঞ্চ নিয়ে বের করে আদৌ কদিন এভাবে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় লঞ্চ চালকরা। কারণ, এখনও নিয়ম মেনে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। ফলে স্বেচ্ছায় কেউ বেশি ভাড়া দিলেও, অতিরিক্ত টাকার দাবি করতে পারছেন না অনেক লঞ্চ চালক। তবে দীর্ঘদিন পর জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার ছবি দেখে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন নদীয়াবাসী।

Related Articles

Back to top button
Close