fbpx
কলকাতাহেডলাইন

নাজেহাল দশা, সামলাতে মেডিকেলে নিয়োগ সহযোগী সুপার, মর্গে বসছে আরও ছ’টি ডিপ ফ্রিজ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: শহরের  করোনার প্রকোপ বাড়লে বাসিন্দাদের চিকিৎসা কি ভাবে হবে সেটা ভেবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে কোডিভ ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। অর্থাৎ এই হাসপাতালে শুধু করোনা আক্রান্তদেরই চিকিৎসা হবে। কোন কোন রুগী এখানে কীভাবে ভর্তি হবেন তার জন্য গাইড ম্যাপও তৈরি হয়। যারা শুধুমাত্র উপসর্গ নিয়ে আসছেন তাঁদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ডের, যাদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাঁদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড আবার যাদের ভেন্টিলেশনে থাকতে হবে তাঁদের জন্যও পৃথক ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এই সব কিছু একজন সুপারের পক্ষে সামলানো সম্ভব হচ্ছিল না বলেই এবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ হলেন একজন বাড়তি সুপার।

জানা গিয়েছে, মেডিকেল কলেজ কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে গত সোমবার থেকেই কাজ করা শুরু করেছে। তারপর থেকেই এই হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে বা রিপোর্ট পজিটিভ জানার পর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছেন এমন রোগীদের সংখ্যা বেশ বেড়ে গিয়েছে। তারমধ্যেই শহর বা কলকাতার আশেপাশের জেলা থেকে এমন অনেক রোগী আসছেন যাদের রেফার করা হচ্ছে ভেন্টিলেশান বা উন্নত চিকিৎসা পরিষেবার জন্য। এর জন্যই হাসপাতালে কাজের চাপ অনেক বেড়ে গিয়েছে। একজন সুপারের পক্ষে এই অবস্থায় সব কাজ সামলানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই সহযোগী সুপার নিয়েগের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

আরও পড়ুন:

এর পাশাপাশি, মরদেহ রাখার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচটি ডিপ ফ্রিজ রয়েছে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু তাতেও কুলোচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদন পাওয়ার পরই পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন। জানা গিয়েছে, আরও ছ’টি ডিপ ফ্রিজ বসানো হচ্ছে অ্যানাটমি বিভাগে। আজ, সোমবার বা মঙ্গলবার থেকেই এই ফ্রিজগুলিতে দেহ রাখা যাবে। ফলে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মোট ডিপ ফ্রিজের সংখ্যা দাঁড়াবে ১১টি। তবে এর বেশি দেহ জমলে ফের সমস্যা দেখা দিতে পারে মেডিক্যালে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেহ তোলার লোকের অভাব প্রকট হয়েছিল সপ্তাহ দুয়েক আগে। দমদম চিড়িয়া মোড়ের বাসিন্দা এক যুবকের মৃত্যুর পর তাঁর ভাইয়ের হাতে ট্রলি ধরিয়ে বলা হয়, দেহ মর্গে গিয়ে রেখে আসতে। মৃতের ভাইয়ের ভিডিও বার্তা রীতিমতো ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

Related Articles

Back to top button
Close