fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বাংলা নয় গুজরাতে সেনা নামাক: ফিরহাদ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: আধা সামরিক বাহিনি গুজরাতে নামানো প্রয়োজন। তোপ দাগলেন পুরো মন্ত্রী তথা পুরো প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার রাজারহাটে করেনটাইন সেন্টার পরিদর্শনে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এভাবে কটাক্ষ করেন। দিলীপ ঘোষ সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, ‘এ রাজ্যে করো না পরিস্থিতি ভয়াবহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আধা সামরিক বাহিনী নামানো হোক।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ এদিন পালটা বললেন। এ প্রসঙ্গে ফিরাদ বলেন, ‘গুজরাটের থেকে বাংলা ভালো অবস্থায় কেন্দ্রীয় তালিকায় সুস্পষ্ট আর যেখানে বিএসএফ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা নিজেরাই করণা আক্রান্ত সেখানে দিলীপ ঘোষ কি বাংলা কে করতে চান।’

এদিন ফিরহাদ হাকিম রাজারহাট করেন্টাইন পরিদরশনে গিয়ে ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখেন। তিনি বলেন, ‘এখানে এক সঙ্গে অনেক মানুষ থাকতে পারবেন। পারস্পরিক দুরত্ব মেনে সবাই থাকবেন। রোগীরা এখানে থাকবে না। রোগীদের জন্য হাস্পাতাল আছে। সবাই ভালো ভাবে থাকে তাই ক্যারাম, লুডু ও তাস খেলার ব্যাবস্থা করা হবে। এ ছারাও আমরা শহরের আর ও বেশ কিছু জায়গায় করেন্টাইন সেন্টার খুলছি। জায়গা ও দেখেছি।’ অন্যদিকে, বুধবার পুরসভায় এক বৈঠকে কলকাতা পুরসভার তরফে চারটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই চারটির মধ্যে দুটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হবে রাজারহাট ও বালটিকুরিতে। বাকি দুটির মধ্যে একটি হবে ইএম বাইপাস লাগোয়া জায়গায়, অন্যটি একটি অব্যবহৃত হাসপাতালে। যদিও এখনই এই বাকি দুটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের জায়গা এখনই জানাতে অনিচ্ছুক পুরসভা।

আরও পড়ুন: দাদার টাকায় নাম কিনছেন দিদি: দিলীপ ঘোষ

এবার করোনা পজেটিভ রোগী পাওয়া গেলে আর গোটা পাড়া কনটেইনমেন্ট জোন বলে বিবেচিত হবে না। তবে বস্তি এলাকা গুলির ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকরী হবে না। বুধবারের বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা পুরসভার বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। যদিও এই নয়া নির্দেশিকা একমাত্র লাভ হবে কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এলাকার ক্ষেত্রেই। এদিন সেকথা স্পষ্ট করে দেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে কোন এলাকায় করোনা পজেটিভ রোগী পাওয়া গেলে সেই নির্দিষ্ট বাড়িটিকে কনটেইনমেন্ট জন বলে বিবেচিত করা হবে। সেই বাড়িতে ক্ষেত্রে জারি হবে ‘স্ট্যান্ড অ্যালোন’ নিয়ম। অর্থাৎ ওই বাড়িটি একে কেউ বের হতে পারবেন না আবার বাইরে থেকে ও কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। নির্দিষ্ট দিন পেরিয়ে গেলে, ওই বাড়ির বাসিন্দারা যদি সংক্রমণমুক্ত হন অর্থাৎ বাড়িটি ফের গ্রীনজনে পরিণত হলে তারপরেই ছাড় দেওয়া হবে। তবে বস্তি এলাকার ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাভ হবে না। সে ক্ষেত্রে বস্তি এলাকা থেকে কোন করোনা পজেটিভ রোগী পাওয়া গেলে, পুরনো পদ্ধতিতে সমগ্র বস্তি কন্টেনমেন্ট বলে বিবেচিত হবে। যদিও এই নতুন নিয়ম একমাত্র লাগু হবে কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এলাকা গুলির ক্ষেত্রেই।

Related Articles

Back to top button
Close