fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

বিশ্বের সফলতম রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতি নরেন্দ্র মোদির, ৭৫ শতাংশ ভারতবাসীর অভিমত করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে মোদি সরকার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় সফল নরেন্দ্র মোদি সরকার। বিশ্বের দরবারে এমনই প্রশংসা পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনা পরিস্থিতি খুব সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছেন মোদি সরকার। এবার এমনই মনে করছেন  ৭৫.৮ শতাংশ দেশবাসী।  দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনও এটাই মনে করছেন যে, মোদি সরকার সঠিক ভাবেই মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে করোনা পরিস্থিতি। সম্প্রতি আইএএনএস-সি ভোটার কোভিড -১৯ ট্র্যাকার ট্র্যাকিংয়ের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।গত ৬ মাস ধরে আইএএনএস-সি ( IANSC) ভোটার কোভিড-১৯ ট্র্যাকার দেশের মানুষের মনোভাব তুলে ধরেছে।সেখানেই দেখা যাচ্ছে যে, দেশের ৭৫.৮ শতাংশ মানুষ এটাই মনে করছেন যে, করোনা পরিস্থিতি খুবই বিচক্ষনভাবে সামাল দিয়েছে মোদি সরকার।  এই বিষয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষজনের ভরসা অর্জন করতে পেরেছেন নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, আইএএনএস-সি( IANSC) ভোটার কোভিড-১৯ ট্র্যাকার হল মহামারীর প্রভাব এবং জনগণের মেজাজ বুঝতে এক ধরণের পোল এবং ট্র্যাকার।

সমীক্ষার দেখা গিয়েছে যে, এই পরিস্থিতিতে ৫২.৭ শতাংশ মানুষের কাছে তিন সপ্তাহেরও বেশি সময়ের জন্য রেশন এবং ওষুধ মজুত রয়েছে। ৪৭.৭ শতাংশের কাছে কম রেশন ও ওষুধ মজুত রয়েছে। কিন্তু কর্মসংস্থানের দিক থেকে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকে জানিয়েছেন যে, দেশের ১৭.৪৩ শতাংশ মানুষের চাকরি নেই এই মুহূর্তে। ৬.৮৮ শতাংশ বলেছেন যে তাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন বলে বেতন কম পাচ্ছেন। ৪.৭৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন যে, বিনা বেতনে কাজ করতে হচ্ছে। ২.৩৬ শতাংশ বলেছেন যে তাঁরা কাজ করেও বেতন ঠিকভাবে পাচ্ছেননা।

[আরও পড়ুন- নিট পরীক্ষার্থীদের ধৈর্য, সংযম ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার বার্তা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী নিশঙ্কের]

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের সফলতম রাষ্ট্রনায়কের স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির পর দ্বিতীয় সেরা রেটিং মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় ভারত করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা অতি দ্রুততার সঙ্গে করেছে। এই ‘মর্নিং কনসাল্ট’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি মার্কেট রিসার্চ কোম্পানি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট জন মরিসন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো, জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁকর, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে রেটিং দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় গোটা দুনিয়ার রাষ্ট্রনায়করা কীভাবে কাজ করেছে, তার ভিত্তিতেই এই রেটিং করা হয়েছিল। যেখানে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য, এই বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রেটিং ছিল মাইনাস ১০। সেটা এখন হয়েছে মাইনাস ৩। বিগত কয়েকদিন আগে একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছিল যে, করোনা মোকাবিলায় শ্রেষ্ট দেশগুলির তালিকার শীর্ষে ছিল ভারত। করোনা মহামারী পাঁচটি সবচেয়ে উন্নত দেশে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করেছে। এরমধ্যে হল ইতালি, আমেরিকা, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রিটেন। এই দেশগুলি স্বাস্থ্য পরিষেবার দিক থেকে শীর্ষে থেকেও করোনাকে মোকাবিলা করতে অক্ষম হয়েছে। কিন্তু ভারত অতি দ্রূত করোনা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। এই সাফল্যের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, একটি দেশের দূরত্ব, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং নেতৃত্বের জন্য বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

[আরও পড়ুন- গুরুতর অসুস্থ, ফের হাসপাতালে ভর্তি হলেন অমিত শাহ]

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা করোনা মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ সেটা বলতে অপেক্ষা রাখে না। আরও একটি ভালো পদক্ষেপ হল দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা। যে দেশগুলি ভাল অবস্থায় আছে, সেগুলির প্রত্যেকের নেতারা তাদের দেশগুলিকে মহামারী থেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। ভারত এদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ করেছে করোনা মোকাবিলায়। যেমন,
বিদেশিদের এদেশে আসার বিষয়ে ভারত কড়া হয়েছে।

লকডাউন। ঠিক সময় মতো দেশে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

পাশাপাশি বারবার দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। এতে দেশবাসী মানসিকভাবে আরও শক্ত হয়েছেন।

শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার নয়, করোনা মোকাবিলায় মাঠে নেমে পড়েছেন প্রতিটা রাজ্যের প্রশাসন। ‌ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা রাজনৈতিক দল শাসন করলেও করোনাকে নাশ করতে সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করেছে।

আরোগ্য সেতুর মতন প্রযুক্তি ব্যবহার করে করোনাকে আটকে দিতে চেয়েছে। নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়েছে। কখনও ম্যালেরিয়া, সোয়াইন ফ্লু –এর ওষুধ ব্যবহার করেছে রোগ প্রতিরোধে।

গরীবমানুষের হাতে নগদ অর্থ পৌঁছে দিয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ব্যবস্থা করেছে।

Related Articles

Back to top button
Close