fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মেয়েদের আত্মরক্ষার জন্য ১০ হাজার লঙ্কাগুঁড়োর স্প্রে বিতরণ করবে নারী সংহতি  

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: রাজ্যের গ্রাম থেকে শহর মহিলারা যে সুরক্ষিত নন আনন্দপুর কাণ্ড তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। আর গ্রামবাংলায় কামদুনি থেকে কাকদ্বীপ সর্বত্রই মেয়েদের শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ, খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই আবহে রবিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তী ব্লকের চরবিদ্যা গ্রামে মহিলাদের মধ্যে আত্মরক্ষার জন্য লঙ্কার গুঁড়োর স্প্রে বিতরণ করল নারী সংহতি (হিন্দু সংহতির মহিলা শাখা)। সারা রাজ্যে মহিলাদের মধ্যে ১০ হাজার লঙ্কার গুঁড়োর স্প্রে বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

সংগঠনের সহ সভানেত্রী স্মৃতিলেখা চক্রবর্তী বলেন, ‘রাজ্যের মেয়েরা অসুরক্ষিত, সে গ্রাম বা শহর যেখানেই বলুন না। খোদ কলকাতাতেই গত ৫ সেপ্টেম্বর আনন্দপুরে এক তরুণীকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হন নীলাঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর পায়ের উপর দিয়েই গাড়ি চালিয়ে দেয় দুষ্কৃতী। তাঁর পায়ের সিনবোন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। আর গ্রামগুলোতে মেয়েদের উপর নিগ্রহের ঘটনা এখন খুব পরিচিত ব্যাপার। আমরা তাই মেয়েরা যাতে আক্রান্ত হলে নিজেরাই নিজেদের বাঁচাতে পারেন তার উপায় করেছি। তাঁদের লঙ্কার গুঁড়োর স্প্রে তুলে দিচ্ছি, শিখিয়ে দিচ্ছি কীভাবে ব্যবহার করতে হয়। সারা রাজ্যে ১০ হাজার লঙ্কার গুঁড়ো স্প্রে বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। কারণ আমরা মনে করি নির্যাতিত হওয়ার পরে থানা, পুলিশে অভিযোগ জানানো একটা লম্বা প্রক্রিয়া। বিশেষত এখনও বহু প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে যেখান থেকে থানা বহু দূরে। তাছাড়া নির্যাতনের সুযোগ কেন দেবেন? আক্রান্ত হলে আত্মরক্ষার জন্য লঙ্কার গুঁড়োর স্প্রে ব্যবহার করুন। তারপর পুলিশে অভিযোগের সুযোগতো থাকছেই।

আরও পড়ুন:বিজেপি সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের দল: বিজেপি রাজ্য সহ-সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী  

‘হিন্দু সংহতির সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য টুইট করেছেন, ‘ বাংলায় হিন্দু অস্মিতা রক্ষার পাশাপাশি মহিলাদের আত্মরক্ষার জন্য নারী সংহতির এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলেই আমি মনে করি।’ নারী সংহতির এই উদ্যোগ মনে পড়িয়ে দিচ্ছে কেতন মেহতার ব্লক বাস্টার ছবি ‘মির্চ মশালার’ কথা। রাজস্থানের পটভূমিতে অত্যাচারী পুরুষদের প্রতিরোধে এই পন্থাই নিয়েছিলেন অত্যাচারিতা মহিলারা। নাসিরুদ্দিন শাহ, স্মিতা পাতিল, সুরেশ ওবেরয়, দীপ্তি নাভাল ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। রিল লাইফ কখনও কখনও রিয়েল লাইফেও ছায়া ফেলে।

Related Articles

Back to top button
Close