fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বঙ্গে জেহাদ রুখবেন রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা!

রক্তিম দাশ, কলকাতা: ‘রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা যাঁরা দেশপ্রেমিক, তাঁরাই পারেন বাংলায় জেহাদি তৎপরতা ঠেকাতে।’জঙ্গি সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি আলি হোসেন।
সন্ত্রাসবাদ কখনওই সামাজিক বৈষম্য দূর করতে পারে না বলেই মনে করেন আলি হোসেন। যুগশঙ্খকে তিনি বলেন,‘যে জঙ্গিরা ধরা পড়ছে তারা মুসলিম। কিন্তু ভারতের বসবাসরত সব মুসলিমই জঙ্গি নন। তাঁরা দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। হাজি মহম্মদ মহসিন বাঙালি জাতীর শিক্ষার উন্নতিকল্পে নিজের সর্বস্ব দান করেছেন। এপিজে আবদুল কালাম ভারতের বিজ্ঞান গবেষনাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। এসব উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। তাই কোনও জঙ্গি নেতা ভারতীয় বা বাংলার মুসলিমদের আর্দশ নন। এদেশে বসবাসরত মুসলিমরা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সমাজের ধারক-বাহক।’

আলি হোসেন আরও বলেন,‘ শুধু দারিদ্রতাই জঙ্গিবাদের পিছনে কাজ করে না। ধণী পরিবারের সন্তানরাও এর দিকে ঝুঁকছেন। আমাদের দেশের মুসলিমরা একশো শতাংশ ভারতীয়। বাংলা এবং কেরলে এদের একটা অংশকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে জঙ্গি বানানোর অপচেষ্টা চলছে। সরকারকে দেখতে হবে কেন তাঁরা জঙ্গিবাদের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছেন।’

বঙ্গ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতির বক্তব্য, ‘ প্রকৃত রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা এর মধ্যে যাবেন না বলেই আমি মনে করি। কারণ তাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করেন। বিদেশি প্যান ইসলামিক আর্দশে যারা বিশ্বাসী, তারাই দেশে জঙ্গিবাদকে ছড়াচ্ছে। আর তাদের কারণে বাংলা আজ জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠতে চলেছে। এদেরকে সমাজ থেকে রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা বিচ্ছিন্ন করবেন বলেই আমি আশা করি।’

আরও পড়ুন:সূর্য নন্দীর লেখায় দাঁতন মোহনপুরের অকথিত স্বাধীনতা সংগ্রাম

বাংলার মুসলিম সমাজের প্রতি আবেদন জানিয়ে আলি হোসেন বলেন,‘ দেশপ্রেমিক মুসলিম ভাইদের বলছি, আপনারা এগিয়ে এসে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। না হলে আমাদের দেশ বাঁচবে না। আপনার সন্তানের দিকে নজর রাখুন। যাতে তাঁরা জঙ্গিবাদের খপ্পরে না পড়ে।’

আলি হোসেন আরও বলেন,‘ বাংলার মুসলিমদের একটা বড় অংশ আজ শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত। তাই তাঁদের অন্ধকারময় সমাজ প্রলোভিত করা সুযোগ নিচ্ছে। তার থেকে তাঁদের দূরে রাখতে হবে। তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে এনে উন্নয়নের অংশীদার করতে হবে। আমি আবেদন করব, আপনার দেশের সার্বিক উন্নয়নে আপনারাও শামিল হন। মোদিজির হাততে শক্ত করুন। সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন ও শিক্ষার জন্য মোদি সরকারের বিভিন্ন যোজনার সুযোগ নিয়ে দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যান।’

Related Articles

Back to top button
Close