fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সংকটে শিলিগুড়ি, কলকাতার পর এবার শিলিগুড়িতেও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্ক সোসাইটি

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়ি: করোনার আতঙ্ক থেকে মানুষের মনোবল বাড়ানো সহ জনসচেতনাতা বৃদ্ধি করতে এবার কলকাতার পর উত্তরবঙ্গে তৈরি হলো কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্ক সোসাইটির কো-অর্ডিনেশান টিম। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের করোনা যোদ্ধা বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সদের নিয়ে এই টিম তৈরী হয়েছে। যে কমিটির কাজই হলো করোনার আতঙ্ক থেকে সাধারণ মানুষদের সচেতন করা।

দেশ তথা গোটা রাজ্যের পাশাপাশি শহর শিলিগুড়ি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ক্রমবর্ধমান। আর সেই সংক্রমণ যে যথেষ্ট উদ্বেগজনক সেকথা স্বীকার করে নিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক তথা রাজ্য করোনা বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান অভিজিৎ চৌধুরী।  প্রতিদিনই সংক্রমনের রেকর্ড গড়ছে রাজ্য। সাথে শিলিগুড়িও বাদ পড়ছে না! শিলিগুড়ি শহরের সংখ্যাটাও প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে।

আর উত্তরবঙ্গে সংক্রমনের সংখ্যাটা বৃদ্ধির কারণে, কলকাতার পর এবার শিলিগুড়িতে গঠিত হল সেই কমিটির কো-অর্ডিনেশন টিম। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সদের নিয়ে এই টিম তৈরী করা হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সেই যুদ্ধ জয় করে সুস্থ হয়ে ফের কাজে যোগ দিয়েছেন।

তাদের মূল কাজই হবে মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে তৈরি হওয়া আতঙ্কের পরিবেশ থেকে তাদের বাইরে বের করে আনা। পাশাপাশি, করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনাতা বৃদ্ধি করা। কি কি করণীয়, কি করা উচিৎ নয়! চিকিৎসদের পরামর্শ সহ নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে কতটা দূরত্ব বজায় রেখে একে অপরের সাথে মেলামেশা করা ইত্যাতি প্রভৃতি। এই কমিটি গঠিত হওয়ার পর বুধবারই অভিজিৎ বাবু উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এই টিমের সাথে একটি বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি জানান, শিলিগুড়ি শহরের করোনা পরিস্থিতি যথেষ্ট ভাবনার জায়গা তৈরি করেছে।যথেষ্ঠ উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। যা ভীতি সন্ত্রস্ত সংশয়গ্রস্ত এবং দমবন্ধ করা অবস্থা। বড় দুঃখের অবস্থা। তিনি জানান সে কারনেই তারা ভেবেছেন কলকাতার বাইরে কোথাও যদি এই কমিটি কাজ করে তা শিলিগুড়িতে। এদিন তিনি তার নবগঠিত টিম নিয়ে শিলিগুড়ির বেশ কয়েকটি অঞ্চলে পরিদর্শন ও সচেতন করেন। শিলিগুড়ি শহরের প্রধাননগরে করোনা আক্রান্ত পরিবারের সদস্য ও তাদের প্রতিবেশিদের সামাজিক স্বাস্থ্য বিধি যথাযথ মেনে চলার পরামর্শ সহ মানুষকে আতঙ্ক থেকে বেড়িয়ে আসার পরামর্শ দেন তারা। পাশাপাশি রাস্তায় মাইক হাতে মানুষকে সচেতন করতেও দেখা যায় তাকে। তবে তিনি পরিষ্কারভাবে এও জানিয়ে দেন, “এটি একটি স্বেচ্ছা প্রনোদিত উদ্যোগ। সরকারের কোনো বিকল্প নয়। বা চাপিয়ে দেওয়া কোনো উদ্যোগ নয়। আমাদের সাধ্যমতো আমরা মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব। তবে একটা হেল্প লাইন নাম্বার চালু করা হবে। কেউ কোনো সমস্যায় পড়লে সেই নাম্বারে ফোন করতে পারবে।”

Related Articles

Back to top button
Close