fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কৃষিবিল সহ কেন্দ্রীয় যোজনার সুবিধা পেতে রাজ্যে পরিবর্তন চাই: জগন্নাথ সরকার

শ‌্যামল কান্তি বিশ্বাস, রানাঘাট: কেন্দ্র ও রাজ্যে এক রাজনৈতিক দলের সরকার না হলে, রাজ্যের উন্নয়ণে নানা বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়, এজন্য যত দ্রুত সম্ভব পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পটভূমির পরিবর্তন আবশ্যিক। তৃণমূলের মতো কাটমানির সরকার এ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকায় পশ্চিমবঙ্গ আজ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন। এভাবেই আজ দিদিমনি সহ রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

তিনি আরও বলেন, স্টিকার দিদির অপশাসনে বাংলা আর এগিয়ে নেই, পিছিয়ে বাংলায় পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গ্ৰাম সড়ক যোজনার নাম পাল্টে বাংলার আবাস যোজনা, স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের নাম পাল্টে নির্মল বাংলা, আয়ুষ্মান ভারত, দিদিমনির নাপসন্দ। এজন্য রাজ্যে কার্যকর হয়নি। কৃষাণ সমৃদ্ধি যোজনা প্রথমে না পসন্দ, পরবর্তীতে সরাসরি কৃষকের এ্যাকাউন্টে নয়, দিদিমনির মারফত টাকা পাঠানোর প্রস্তাব, এ যেন মাসি বাড়ির মোয়া। সারাদেশে এক নিয়ম রয়েছে কিন্তু দিদিমনির জন্য বুঝি অন্য নিয়ম তৈরি করতে হবে!

কৃষি বিলের সমর্থনে বগুলা বড়ো মুড়াগাছা বাজারের সভামঞ্চ থেকে সাংসদ তথা লোকপ্রিয় লড়াকু জননেতা জগন্নাথ সরকার আরও বলেন, কৃষকের জীবন যাত্রার মান সুনিশ্চিত সহ কৃষিক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন ঘটাতে নয়া কৃষি বিল পাশ হল। আপামর দেশবাসী সহ কৃষক সমাজের কাছে এটা সোনার পাথর বাটি। এই নয়া কৃষি বিল কার্যকরের মধ্য দিয়ে কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাবে। কোনও কারণ ছাড়াই বিরোধীতা করতে হবে, তাই বিরোধীতা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই স্টান্ড নিয়েছে রাজ্য সরকার। নয়া কৃষি বিলে ফড়ে রাজের অবসান ঘটায় চিন্তিত রাজ্যের তৃণমূল সরকার। ফড়ে রাজের ভূমিকা না থাকলে কাটমানির আমদানি হবেনা! শুধু এই কারনেই বিরোধিতা।

তাঁর কথায়, তৃনমূল দল আজ পুরো সিন্ডিকেট রাজ ও কাটমানির দালালির উপর দাড়িয়ে আছে। মানুষকে চমকিয়ে, ধমকিয়ে, ভয় দেখিয়ে ক্ষমতায় বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। মুখোশের আড়ালের প্রকৃত স্বরূপ বাংলার মানুষ আজ ধরে ফেলেছে। কৃষক সুরক্ষা পদযাত্রায় আজ বগুলা গঞ্জশহর প্লাবিত। জনজোয়ারে বগুলার আকাশ বাতাস মুখরিত। কৃষিবিলের সমর্থনে আজ বগুলা কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে দলীয় কর্মী সমর্থক সহ কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে বর্নাঢ্য মহা মিছিল বগুলার রাজপথ পরিক্রমার মধ্যদিয়ে বড়ো মুড়াগাছা বাজারে গিয়ে মিলিত হয়।

সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য কমিটির সম্পাদিকা শ্রীমতি ফাল্গুনী পাত্র, বিজেপি নদীয়া জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম বিশ্বাস, নদীয়া জেলা দক্ষিণের কৃষাণ মোর্চার সভাপতি ধীরেন্দ্রনাথ মিস্ত্রি, আঞ্চলিক বিজেপি নেতা তথা মতুয়া মহাসংঘ হাঁসখালি ব্লক কমিটির সহ সভাপতি এক্স ডিসি(সীমান্ত রক্ষী বাহিনী) সুনীল কুমার বিশ্বাস, তিলক বর্মন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সাংসদ জগন্নাথ সরকার বগুলার কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগে পায়রা ডাঙ্গা বাজারে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কৃষি বিলের সমর্থনে কর্মী সমর্থক সহ কৃষক বন্ধুদের সঙ্গে পদযাত্রায় পা মেলান।

Related Articles

Back to top button
Close