fbpx
গুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

জাতীয় আন্দোলন ও রাষ্ট্রগঠনে নেতাজির অবদান অতুলনীয়

দিলীপ ঘোষ: ২১ অক্টোবর, আজাদ হিন্দ সরকারের প্রতিষ্ঠা দিবস। আজ থেকে ৭৭ বছর আগে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু অখণ্ড ভারতের প্রথম অস্থায়ী সরকার আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের মাধ্যমে আদর্শ ভারতবর্ষ নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ শাসন উচ্ছেদের লক্ষ্যে ভারতের বাইরে যে রাজনৈতিক এবং সামরিক শক্তিগুলি গড়ে উঠেছিল, আজাদ হিন্দ সরকার ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম। আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নেতাজীকে আমার শতকোটি প্রণাম। ধন্য সেই মাতাপিতা যাঁরা সুভাষচন্দ্র বসুর মতো সুপুত্রকে জন্ম দিয়েছেন। তার সঙ্গে সেই সব মহানুভবদেরও আমি প্রণাম জানাই যাঁরা নেতাজীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সামিল করেছিলেন এবং সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গড়ার লক্ষ্যে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। যে মানুষ নিজের সব কিছু ছেড়ে দিয়ে শুধুমাত্র দেশের কাজে নিজেকে সমর্পিত করতে পারেন তাঁর অনুপ্রেরণায় দেশের প্রজন্মের পর প্রজন্ম যে অনুপ্রেরিত হবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি যে, স্বাধীনতা অর্জনের সাত দশক পর আজও সুভাষচন্দ্র বসুর সমাজ গঠনের স্বপ্নকে বাস্তাবায়িত করার লক্ষ্যে আমরা পৌঁছতে পারিনি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে স্বৈরাচারী ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে যেসব শক্তি একজোট হয়ে লড়াই করার উদ্দেশ্য নিয়ে ময়দানে নেমেছিল তাদের মধ্যে আজাদ হিন্দ বাহিনীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। আর সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রধান সেনাপতি এবং অস্থায়ী ভারত সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান। টোকিওতে তৎকালীন জাপানের প্রধানমন্ত্রী তোজো হিদেকি ১৯৪৩ সালের ১৩ জুন সুভাষচন্দ্র বসুকে সাদর অভ্যর্থনা জানানোর পাশাপাশি জাপানি পার্লামেন্টে ভারতের স্বাধীনতার ব্যাপারে তাঁদের সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন। ১৯৪৩ সালের ২ জুলাই সুভাষচন্দ্র বসু সিঙ্গাপুরে পৌঁছাতেই বিপুল সংখ্যাক মানুষ তাঁকে সংবর্ধনা জানায়। ঠিক তার দু’দিন বাদে রাসবিহারী বসু পদত্যাগ করলে সুভাষচন্দ্র বসু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভারতীয় স্বাধীনতা সংঘের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং অস্থায়ী স্বাধীন ভারত সরকার গঠনের প্রস্তাব ঘোষণা করেন। ঠিক তার পরদিনই তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ পরিদর্শন করে ‘দিল্লি চলো’ আহ্বান দিয়ে এক বিশাল উন্মাদনার সৃষ্টি করেন। ২৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে নেতাজি আজাদ হিন্দ ফৌজের সেনাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক ভাবে এগোয় এবং ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ সরকার তৈরি হয়। এই সরকারের গঠনের মধ্যে দিয়ে নেতাজি তৎকালীন অত্যাচারী ব্রিটিশ সরকারের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছিলন এবং ব্রিটিশ রাজ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে বিপুল জনমত গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন।

নেতাজির নেতৃত্বে এই আজাদ হিন্দ সরকার সম্পূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পনামাফিক ভাবে কাজ শুরু করে নিজস্ব ব্যাঙ্ক, মুদ্রা, ডাকটিকিট এবং স্বতন্ত্র গুপ্তচর বাহিনী খুব অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করে ফেলে। শুধু দেশের বাইরে থেকে কার্যভার নির্বাহ করা নয়, সীমিত সম্পদ নিয়ে এতো অল্পসময়ের মধ্যে শক্তিশালী ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করা ছিল একটি অসাধারণ ব্যাপার, কারণ এই ঘটনা আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনকে আরোও শক্তিশালী করে তুলেছিল। তাই ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলনে একুশে অক্টোবরের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। নেতাজি তাঁর একক প্রচেষ্টায় স্বাধীন ভারতের প্রথম সরকার গঠন করে ব্রিটিশদের মনে আতঙ্ক ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। তাতে ব্রিটিশ সরকার আর দেরি না করে পাততাড়ি গোটানোর কাজ লেগে পড়ে। নেতাজি এমন একটি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা করে দেশের অসংখ্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছিলেন বলেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন অনিবার্য হয়ে পড়ে। তিনি ভাবতেন কবে ব্রিটিশরা দয়া করে ভারত ছেড়ে চলে যাবে সেই অপেক্ষায় বসে না থেকে, তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা বেশি জরুরি।

আজাদ হিন্দ বাহিনীর ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের ভাষণে আমাদের আদরণীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীর কৈশোরে নেতাজির মাকে লেখা একটি চিঠির উল্লেখ করে বলেছিলেন :”আজ থেকে ১০৬ বছর আগে ১৯১২ সাল নাগাদ তিনি তাঁর মা-কে চিঠিতে যে কথা লিখেছিলেন, সেখানে পরাধীন ভারতের দুর্দশা, পরাধীনতার যন্ত্রণা ফুটে উঠেছিল। তখন তাঁর বয়স ১৫-১৬ বছরের বেশি ছিল না। কয়েক শতাব্দীর পরাধীনতা দেশকে যেরকম জর্জর করে তুলেছিল, তার যন্ত্রণা তিনি মায়ের কাছে চিঠিতে লিখে প্রশ্ন করেছিলেন যে, মা আমাদের দেশের কি ভবিষ্যতে আরও অবনতি ঘটবে? এই দুঃখিনী ভারতমায়ের এমন কোনও সন্তান জন্মাবেন না, যিনি নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সারা জীবন দেশের সেবায় সমর্পণ করবেন! বল মা, আমরা আর কতদিন ঘুমিয়ে থাকব?” এর থেকেই বোঝা যায় নেতাজি ছোটবেলা থেকেই কিভাবে নিজেকে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে গড়ে তোলার কাজে মন দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি বিলেতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা পাস করেও চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে দেশে ফিরে আসেন.এবং তাঁর বড়োভাই শরৎচন্দ্র বোসকে লেখেন “বহু কষ্ট এবং আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়েই শুধু একটি জাতিকে আমরা নির্মাণ করতে পারি।” ব্রিটিশ সরকারের লোভনীয় চাকরি ছেড়ে আত্মত্যাগের উদাহরণ তিনি আগেই দিয়েছিলেন এবং নিজেকে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে নামার পাশাপাশি জাতির নির্মাণের কাজে যুক্ত করে প্রমাণ করেছিলেন তিনি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম কিংবদন্তি নেতা এবং শ্রেষ্ঠ বাঙালী। তাঁর এই আত্মত্যাগ যুব সমাজের মধ্যে এক অদ্ভুত আলোড়নের সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তীকালে তাঁর ঐতিহাসিক আহ্বান “আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব” – বাঙালী সহ সমগ্র জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য নেতাজির কাছে গোটা দেশ চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোয় তিনদিনের ছুটি ঘোষণা না করায় হতাশ বাংলাদেশের হিন্দুরা

ভারতের স্বাধীনতা অর্জন ছিল নেতাজির একমাত্র লক্ষ্য। ব্রিটিশ রাজ থেকে ভারত মা-কে মুক্ত করার সংগ্রাম ছিল খুবই কঠিন। কিন্তু অদম্য নেতাজি দেশকে পরাধীনতার হাত থেকে মুক্ত করার যে ব্রত নিয়েছিলেন তা সফল করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। নেতাজি স্বামী বিবেকানন্দের মতাদর্শে বিশ্বাস করতেন, তাই তিনি জগতের সেবাতেই মুক্তির পথ খুঁজে নিয়েছিলেন। নেতাজি এমনই নেতা ছিলেন, যিনি সময়ের সঙ্গে নিজেকে পরিবর্তন করেছেন কিন্তু তাঁর লক্ষ্যে স্থির থেকেছেন। তাই তিনি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে কংগ্রেসে থেকে দেশের মধ্যেই স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু করলেও, পরে কিন্তু পরিস্থিতি বিচারে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ বেছে নেন। মতবিরোধ থাকলেও দু’জনে একে অপরের প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। গাঁধীজী বলেছিলেন ‘‘বোস ওয়াজ় আ পেট্রিয়ট অ্যামং পেট্রিয়টস।’’ অন্যদিকে, নেতাজি স্বগর্বে বলেছিলেন “মহাত্মার এক জন সৈনিক হিসেবে দেশের জন্য আমি প্রাণ দিতে রাজি।” নেতাজি শুধুমাত্র একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন না, তিনি ছিলেন যুগপুরুষ। তাই তিনি কলকাতা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হোক বা জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতিপদ সামলানো, সব ক্ষেত্রেই তাঁর স্বতন্ত্র চিন্তাধারার প্রমাণ রেখে গেছেন। আমরা যদি নেতাজিকে শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধের একজন যোদ্ধা হিসাবে ধরি তাহলে তাঁর ব্যাপকতাকে খাটো করা হবে। তিনি আজাদ হিন্দ বাহিনী গড়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি সংঘাতের পথ বেছে নিয়ে শুধু ভারতের মুক্তির পথই প্রশস্ত করেননি, অসাম্প্রদায়িক এবং সমতাভিত্তিক ভারতবর্ষ নির্মাণের পরিকল্পনাও করেছিলেন।

আমাদের জাতীয় জীবনে নেতাজির অগুণতি অবদান। অবশ্য তাঁর সব থেকে অনস্বীকার্য অবদন হল আমাদের রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও দেশবাসীর স্বাধীনতা রাখার জন্য এক শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন। কেন্দ্রে আমাদের সরকার নেতাজিকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়েছে। মোদিজী নিজের উদ্যোগে ভারতের সেনাকে আজ পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতে পরিণত করেছেন। আমাদের সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত করে তাঁদের মনোবল গগনচুম্বী করেছেন। ভারত আগ্রাসনে বিশ্বাস করে না আর তাই আমাদের সৈন্যবাহিনীর মূল লক্ষ্য হল আত্মরক্ষা। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, যখনই কোনও বহিরাগত শক্তি ভারতের সার্বভৌমত্ব হরণ করতে চেয়েছে, তখনই তারা তার যথাযথ জবাব পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদিজীর নেতৃত্বে আমাদের সরকার গত ছয় বছরে সেনাবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির জন্য, বীর সৈনিকদের জীবনকে উন্নত করার এবং সৈন্যদের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সার্জিকাল স্ট্রাইক, এয়ার স্ট্রাইক এবং সাম্প্রতিককালে লাদাখ সীমান্তে আমাদের সেনাবাহিনীর কৃতিত্বে আমাদের সকলের বুক গর্বে ভরে উঠেছে। শুধু তাই না, নেতাজী সংক্রান্ত গুপ্ত নথিগুলিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনৈতিক সদিচ্ছা সবার কাছে তুলে ধরেছেন। ৪০ বছর ধরে ‘এক পদ, এক পেনশন’-এর দাবিপুরণ নিয়ে নানা টালবাহানা চলছিল। আমরা সরকারের দায়িত্বে আসার পর প্রতিশ্রুতি মতো অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের সেই দাবি পূরণ করে তাঁদের যথাযোগ্য সম্মান দিয়েছি। তাছাড়া, আজকের সৈনিকদের বীরত্বের কাহিনী যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানতে পারে সেইজন্য ন্যাশনাল ওয়ার মিউজিয়াম জনসাধারণের জন্য গত বছর খুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর উন্নয়নের জন্য অনেক গঠনমূলক সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকার গত কয়েক বছরে নিয়েছে এবং আগামী দিনে আমরা তার প্রতিফলন দেখতে পাবো।

আরও পড়ুন:আরজিকর শিশু নিখোঁজ কাণ্ডে বিশেষ তদন্তকারী দলকে দ্রুত নিরপেক্ষ রিপোর্ট পেশের নির্দেশ হাইকোর্টের

আজ আমাদের ভাববার সময় এসেছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে কি ধরনের স্বাধীনতা আমরা ভোগ করছি? যে বাংলা মা তাঁর বীর সন্তান নেতাজিকে নিয়ে গর্ববোধ করে সেই পশ্চিমবঙ্গের আজ কি অবস্থা? শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একটা দল মানুষের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার পর্যন্ত (ভোট প্রধানের স্বাধীনতা) কেড়ে নিয়েছে। তৃণমূল ঘটা করে প্রতিবছর নেতাজির জন্মদিন পালন করে দেখাতে চায় যে তারা তাঁর কত বড় ভক্ত, কিন্তু আসলে সেটা শুধুই ভোটের রাজনীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সত্যি নেতাজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হতেন তাহলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার অবনতি, নারীদের নিরাপত্তাহীনতা, বিরোধীদের উপর আক্রমণ এবং রাজনৈতিক খুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখে যতই নেতাজির বাণী আওড়ান, তিনি যে আসলে বকধার্মিক সেটা আমাদের আর কারো বুঝতে বাকি নেই। যে আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে নেতাজি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন তাঁর ছিটেফোঁটাও তৃণমূলের শাসনে দেখা যায়নি। অবশ্য যারা ভোট লুঠ করে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করে, তাদের কাছে সুশাসন বা গণতন্ত্র আশা করা সময়ের অপচয়। ৭৫ বছর আগে যে স্বপ্ন নিয়ে নেতাজি কাজ শুরু করেছিলেন, তার সদর্থক বাস্তবায়ন কেন্দ্রে একমাত্র বিজেপি সরকারই করেছে। কিন্তু আমাদের অনেক দূর পথ চলা বাকি। তাই সবাইকে আজকের দিনে শপথ নিয়ে এই অঙ্গীকার করতে হবে যে নেতাজির দেখানো পথেই আমরা আদর্শ ভারতবর্ষের নির্মাণ করব। তার সঙ্গে সোনার বাংলাকে তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্ত করে আপামর বাঙালিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুরর প্রতি আমাদের আসল শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করব।

Related Articles

Back to top button
Close