fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় জেলা তৃণমূলে রদবদলের সম্ভাবনা…দায়িত্ব নিয়েই ইঙ্গিত নব নিযুক্ত যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা: মালদা জেলা যুব তৃণমূলের ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা। দায়িত্ব নিয়েই সেই ইঙ্গিত দিলেন নব নিযুক্ত যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস। পদ খোয়াতে পারেন বহু পুরনো যুব নেতা।

এর ফলে মালদা জেলা জুড়ে আরও প্রকট হতে পারে যুব তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আশঙ্কা দলেরই একাংশের। গোষ্ঠী কোন্দল ও তৃণমূল সমর্থক, দাবি বিজেপির। যদিও জেলা সভাপতি বদলের প্রভাব কোন ভাবেই গোষ্ঠী কোন্দলকে প্রভাবিত করবে না তৃণমূল নেতৃত্বের।

২০২১ বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ করে জেলায় জেলায় রদবদল করেছে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই মত মালদা জেলায় শক্তি বৃদ্ধি করতে জেলা যুব সভাপতির পদ থেকে অম্লান ভাদুড়ীকে সরিয়ে কৃষ্ণেন্দু ঘনিষ্ট প্রসেনজিৎ দাসকে করা হয়েছে। আর রাজ্য নেতৃত্বের রদবদলকে অন্য চোখে দেখছে তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ। নতুন যুব সভাপতি পদ পাওয়ার পরই ব্লকে ব্লকে সংগঠন সাজানোর কাজ শুরু করেছে নব নিযুক্ত সভাপতি। আর তাতেই অনেকেই পদ খোয়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। আর এই পদ নিয়ে গোষ্ঠী কোন্দলও প্রকাশ্যে আশার সম্ভবনা প্রবল। এতদিন অম্লান ভাদুড়ি ঘনিষ্ঠরাই ব্লকে ব্লকে দ্বায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমানে তার সংগঠনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে না বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ। মালদা জেলায় কংগ্রেসের প্রভাব বরাবরই রয়েছে। যার ফলে ২০১৬সালে ১২টি বিধানসভার একটই তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ঝুলিতে ভরতে পারেনি। এরপর ২০১৯ লোকসভা ভোটেও একটিও আসন জয়লাভ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুন:স্পর্ধার ১০০, ঘৃণার আঁধারে আজ মশালের শিখা, লাল হলুদ বিপ্লবের সাক্ষী ইতিহাস

উত্তর মালদা আসন দখল করে বিজেপি ও দক্ষিণ মালদা দখল করে কংগ্রেস। আর এরপর থেকে মালদা জেলা সভাপতি থেকে যুব সভাপতি সমস্ত পদের পরিবর্তন শুরু করে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের অন্দরে দেখা দেয় গোষ্ঠী কোন্দল।

জেলা যুব সহ সভাপতি অম্লান ঘনিষ্ট বুলবুল খান বলেন, সম্প্রতি যুব সভাপতি পদের বদল হয়েছে। যেহেতু প্রাক্তন যুব সভাপতির ঘনিষ্ঠ সেই কারণে পদ নাও থাকতে পারে। তবে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে দল করি। পদে না থাকলেও দল করে যাব।

বর্তমান যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বড় দ্বায়িত্ব দিয়েছেন আমাকে। সংগঠন শক্তিশালী করতে কাজ করব। যোগ্য ব্যক্তিদেরকে সংগঠনের প্রথম সারিতে নিয়ে আসা হবে। ইতিমধ্যে ব্লকে ব্লকে সংগঠন সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে।

উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, তৃণমূল আর গোষ্ঠী কোন্দল সর্মথক শব্দ। গোষ্ঠী কোন্দল ছাড়া তৃণমূল হয় নাকি? বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যত গোষ্ঠী কোন্দল বাড়বে বিজেপির তত লাভ হবে। আগামী বিধানসভা ভোটে রাজ্যে পট পরিবর্তন হবে। বিজেপি ক্ষমতা দখল করবে।

জেলা তৃণমূলের কোঅর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, তৃণমূল হোক বা যুব তৃণমূল কোথাও গোষ্ঠী কোন্দল নেই। বিজেপি এগুলি অপপ্রচার করছে। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই অপপ্রচারের ফল তারা পাবে।

 

Related Articles

Back to top button
Close