fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

ডিসেম্বরের শুরুতে কলকাতায় করোনা ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে নাইসেড

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: দীর্ঘ ৮ মাস পরে ধীরে ধীরে করোনা মুক্তির দিকে এগোচ্ছে গোটা দেশ। প্রথম থেকেই সমস্ত পদ্ধতিগত নিয়ম-কানুন মেনে কলকাতায় করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ট্রায়াল’ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এবার ডিসেম্বরের শুরুতে নাইসেডের মাধ্যমে হতে চলেছে কোভিড টিকার পরীক্ষামূলক চূড়ান্ত প্রয়োগ, এমনটাই সূত্রের খবর।
 জানা গিয়েছে, বেলেঘাটার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কলেরা অ্যান্ড এনটেরিক ডিজিসেস (নাইসেড)-এ প্রথম থেকেই এ রাজ্যে করোনার ভ্যাকসিনের বিষয়টি দেখাশোনা করছে। তাদের মারফত ভারত বায়োটেকের তৈরি সম্ভাব্য এই টিকার ট্রায়াল শুরুর অনুমোদন মিলেছে। সেই কারণে এবার ডিসেম্বরের শুরুতে এই টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়ালের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শুধু কলকাতা নয়, দিল্লি, মুম্বই, হায়দরাবাদেও একযোগে শুরু হবে শুরু হবে ট্রায়াল।
প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ-এর  সহযোগিতায় এই ভ্যাকসিন তৈরি করছে ভারত বায়োটেক। ইতিমধ্যেই দু’দফায় সফলভাবে ট্রায়াল’ সম্পন্ন হয়েছে। এবার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল সম্পন্ন হলেই সাধারণ মানুষের জন্য সেই ব্যক্তিকে সহজলভ্য করে দেওয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, নাইসেডের তত্ত্বাবধানে ১০০০ জনের ওপর ট্রায়াল চলবে। দুই দলে ভাগ করে ভ্যাকসিনের ডোজ প্রয়োগ করা হবে। যাদের ওপর প্রয়োগ করা হবে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ২৮ দিনের মাথায় ডোজ পাবেন করোনায় আক্রান্ত রোগীরা। আর একজনের ওপর  ভ্যাকসিন এর বদলে অন্যর রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধিকারী ওষুধ প্রয়োগ করা হবে। তারপরে দেখা হবে যাদের ওপর করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগ হয়নি  এবং যাদের উপর ভ্যাকসিন প্রয়োগ হয়েছে, তারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন কিনা।
১৮ থেকে ৯৯ বছর বয়সি স্বেচ্ছাসেবকদের উপর এই টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল হবে। যার ফলাফল পেতে ৩ থেকে ৪ মাস লাগবে, তবে প্রাথমিক লক্ষণ অনুযায়ী সম্পূর্ণ পরিমাণ ভ্যাকসিন অতদিন আটকে রাখা হবে না। যদি এই ট্রায়াল’ সফলতার দিকে এগোয়, তাহলে ধাপে ধাপে করোনা টিকা করনের কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close