fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপি ও সন্ত্রাসবাদী দলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই, বিস্ফোরক ফিরহাদ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: বিজেপি ও সন্ত্রাসবাদী দলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। বিস্ফরক মন্তব্য করলেন পুরমন্ত্রী তথা পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। রবিবার চেতলায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘তালিবানদের মত শিক্ষা পেয়েছে বিজেপি।’

বিতর্কিত মন্তব্য করায় বারবার নাম জড়িয়েছে বিজেপি নেতাদের। বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচিত হয়েছেন তারা। কিন্তু তা সত্বেও চাঁচাছোলা ভাষায় শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। এদিন ফের একবার নমুনা পাওয়া গেল। একদিকে যখন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলছেন, ‘যারা ক্ষমা করে তারা কাপুরুষ। হিংসা ছাড়া কখনও কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি।’ ঠিক তখনই অন্যদিকে দাঁতন থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। আর এই পুরো বিষয়টিতে বিজেপিকে জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে তুলনা করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

এবারে নতুন নয় এর আগেও বহুবার কড়া মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। ঠিক তেমনই চিন ভারতের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে চিনকে যোগ্য জবাব দিতে হবে তা জানিয়ে সেই পথ একমাত্র হিংসার মাধ্যমেই আসতে পারে বলেই এদিন মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বলেন , ‘আজ যদি চিনকে হিন্দি-চিনি ভাই-ভাই বলি, তাহলে দেশের আরও কিছুটা ওরা নিয়ে নেবে। যে যে ভাষায় কথা বোঝে, তাকে সে ভাষায় জবাব দেওয়া উচিত।হিংসা ছাড়া পৃথিবীতে কোনওদিন কোনও সমাধান হয়নি।’ তার এই মন্তব্যকে তীব্র সমালোচনা করে পাল্টা ফিরহাদ জানান, ‘বাংলার পরিবেশের ক্ষেত্রে এই দলটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। হিংসার বাংলা বদলার বাংলা, খুনের বাংলা আমরা কেউ চাই না। আমরা শান্তির বাংলা চাই।’

দিলীপ ঘোষের মতে, ‘হিংসার প্রতিরোধে যদি কেউ ভাবে, মন্ত্র জপ করলে হয়ে যাবে, তাহলে লোকে তাকে নির্বোধ ও কাপুরুষ ভাববে।যারা কাপুরুষ, তারা ক্ষমার কথা বলে।’ এই কথার নিন্দে করে ফিরহাদের প্রতিক্রিয়া, ‘আমরা যদি হিংসার বদলে শান্তি চেয়ে কাপুরুষ হই তাহলে আমরা কাপুরুষই ঠিক আছি। মহাপুরুষরাও যদি শান্তি চেয়ে কাপুরুষ হন হলে আমি মহাপুরুষদের পথেই যেতে চাই। যারা গুজরাটে হিংসা ছড়িয়েছে তাদের বাংলায় কোন স্থান নেই।’

অপরদিকে এদিন দাঁতনে ফের তৃণমূল ও পুলিশ আটকে দেয় বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুকে। জনবহুল জায়গায় দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজন হলে দাঁতন থানা জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।’ এ প্রসঙ্গে পাল্টা আক্রমণ করে ফিরহাদ বলেন, ‘এই বিষয়ে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এরা সন্ত্রাসবাদীর দল। তালিবানদের যেমন অন্য কোন শিক্ষা নেই, খালি মানুষ মারতে জানে এরাও ঠিক তেমন।’ জইশ-ই-মহম্মদের মতই একই শিক্ষা পেয়েছে বিজেপি মন্তব্য ফিরহাদের।

 

Related Articles

Back to top button
Close