fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ডিসেম্বরের আগে রাজ্যে চালু হবে না নতুন শিক্ষাবর্ষ: পার্থ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডিসেম্বরের আগে রাজ্যে চালু করা যাবে না নতুন শিক্ষা বর্ষ। সাফ জনিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার উপাচার্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের পর তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। ডিসেম্বর থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষে চালুর প্রস্তাব খুব শীঘ্রই বিশ্ব বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কে জানান হবে চিঠি দিয়ে। পাশাপাশি ২ নভেম্বর থেকে রাজ্যে অনলাইনে চালু হবে কলেজগুলোতে স্নাতক প্রথম বর্ষের পঠন পাঠন। একই সঙ্গে নভেম্বরে স্নাতকোত্তরে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে তবে কলেজ খুললেই শারীরিক উপস্থিতি প্রয়োজন নয় বলে জানলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

পুর্ব ঘোষিত সূচি অনুসারে এদিন রাজ্যের সব উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে সর্ব সম্মত ভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তবে ইতিমধ্যেই কিছু কিছু কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় গুলিতে অন লাইন ও অফ লাইনে পড়ুয়াদের শিক্ষাদান পর্ব চালু আছে। অধ্যপকরা নিয়মিত পালা করে ক্লাস ও নিচ্ছেন। এদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সেই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অত্যন্ত জরুরি। তবে শিক্ষাবর্ষের সঙ্গে ফিজিক্যাল অ্যাটেনডেন্স এর কোন সম্পর্ক নেই। বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে তারা অনলাইনে পঠন-পাঠন চালাচ্ছেন। অফলাইনেও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দুই পদ্ধতিতে যাতে শিক্ষাদান চালানো যায় তার জন্য তারা বিশেষ প্লানিং করে চলবে। শিক্ষাবর্ষ যে কোন সময় শুরু হতে পারে। যেহেতু নভেম্বর মাস জুড়ে একাধিক পুজো আছে সে ক্ষেত্রে আলোচনার মাধ্যমে মনে হয়েছে ডিসেম্বরের আগে শিক্ষাবর্ষ শুরু করার সম্ভবনা কম। তবে ফিজিক্যাল অ্যাটেনডেন্স কবে থেকে চালু করা যাবে তা ঠিক করবে রাজ্য সরকার। আমরা কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয়গুলির সঙ্গে মতামত পাঠাবো। সেই অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবেন।’

অন্যদিকে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর সোশাল মিডিয়াতে ট্যুইট করে একের পর এক আঘাত হানছেন রাজ্য সরকারের ওপর। এ প্রসঙ্গে পার্থ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘রাজ্যপালের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী যা বলার বলবেন। রাজ্যের সমস্ত এজেন্ডা নিয়ে তিনি একাই ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন। সব কিছুর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আমরা অবিলম্বে এই কৃষক ও সাধারণ মানুষ বিরোধী বিল প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। এই বিলের প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই মাঠে ময়দানে ছিল।’

Related Articles

Back to top button
Close