fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লোডশেডিং-এ জেরবার লাভপুর ও ময়ুরেশ্বর থানার গ্রামের মানুষ

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া : গত কয়েকমাস ধরে লাভপুর ও ময়ুরেশ্বর এলাকার গ্রামের মানুষেরা লোডশেডিং এ জেরবার। এমনটা কিন্তু হয়না সাঁইথিয়া শহরে বা লাভপুরে। সেখানে কোনরকম লোডশেডিং নেই। যত সমস্যা গ্রামের বাসিন্দাদের।

 

 

 

এদিকে এখন গ্রামে গ্রামে সজলধারা প্রকল্পের জল ব্যবহারে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই সমস্যা তাদেরই বেশী। লাভপুরের ইন্দাস, বিপ্রটিকুরী ,গোপ্তা, সরিপা, এবং ময়ুরেশ্বরের লোকপাড়া, দাসপলসা, কুন্ডলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সব জায়গাতেই বিদ্যুৎ একবার চলে গেলে দীর্ঘক্ষন দেখা মেলে না। লাভপুরের ইন্দাস গ্রাম এবং আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষেরা কয়েকদিন আগে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখালে সেই মুহুর্তে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যায়। এখন প্রশ্ন তুলছেন এলাকার মানুষ, বিক্ষোভ দেখালেই যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয় তাহলে এতদিন সরবরাহ ঠিকমতো হয়নি কেন? এর কোনও সদুত্তর বিদ্যুৎ দফতরের নেই।

 

 

 

ময়ুরেশ্বরের দাসপলসা গ্রামের এক বাসিন্দা জানালেন, গাছের পাতা নড়লেই এখানকার গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। চার পাঁচ ঘন্টা লোডশেডিং থাকে। অথচ সাঁইথিয়া শহরে বা লাভপুরে কোন বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই। এই গরমে নাভিশ্বাস ওঠে মানুষের। তার সঙ্গে জলকষ্ট। দুপুরের দিকে যখন মানুষ কাজকর্ম করে এসে খেয়েদেয়ে বিশ্রাম নেবে তখনই লোডশেডিং বেশী হয়। বিগত বছরগুলোতে এমন কিন্তু ছিল না বলে জানালেন লোকপাড়ার বাসিন্দারা। পুরোনো তার পাল্টে নতুন রাবার কোটেড তার লাগানোর পর থেকে এটা বেশী হচ্ছে। কারও কারও সন্দেহ যখন রাজ্যে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত তখন এমন লোডশেডিং এর দাপটের মধ্যে নিশ্চয়ই ইনভার্টার বিক্রীর চক্রান্ত রয়েছে। যত লোডশেডিং হবে তত ইনভার্টার বিক্রী বাড়বে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের যোগসাজশে এমনটা করা হচ্ছে বলে বাসিন্দাদের সন্দেহ।

Related Articles

Back to top button
Close