fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোনও ফি বৃদ্ধি করা যাবে না, স্কুল কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশিকা রাজ্যের

এবার অভিভাবকদের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে চলতি বর্ষের মার্চ থেকে রাজ্যে সরকারি-বেসরকারি স্কুল বন্ধ। প্রায় চার ওপর পড়ুয়ারা স্কুলমুখো হয়নি। ওনলাইনের মাধ্যমে চলছে পঠন-পাঠন।এই পরিস্থিতিতে তা সত্ত্বেও টিউশন ফি ছাড়া অন্যান্য সমস্ত ফি-ই নেওয়া হচ্ছে।  বেসরকারি স্কুলগুলি মাত্রাতিরিক্ত হারে ফি বাড়িয়ে দিয়েছে বলে গত ২-৩ মাস ধরেই অভিযোগ উঠছিল। তার ফলে অভিভাবকদের উপর তৈরি হচ্ছে অযাচিত চাপ। অভিভাবকদের দাবি, টিউশন ফি ছাড়া কিছুই দেবেন না তাঁরা। তবে তাঁদের দাবি মানতে নারাজ বেশিরভাগ স্কুল কর্তৃপক্ষ। এবার অভিভাবকদের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার।

এতদিনের অনুরোধ ছিল মৌখিক, তবে এবার তা চিঠির মাধ্যমেই পাঠানো হল রাজ্যের সব স্কুলকে। অর্থাৎ শুধু রাজ্য সরকারের স্কুলগুলি বা রাজ্য সরকার পোষিত বা অনুমোদিত স্কুলগুলিকেই নয়, দিল্লি ও সেন্ট্রাল বোর্ডের স্কুলগুলিকেও এই চিঠি পাঠানো হল। মঙ্গলবারের ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরিবহণ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি ফি নেওয়া যাবে না। স্কুলের পক্ষ থেকে যতটুকু পরিষেবা দেওয়া হবে ঠিক ততটুকুই ফি নিতে পারবে স্কুলগুলি। কোনও ফি বৃদ্ধি করা যাবে না| অনলাইন ক্লাস থেকে বাদও দেওয়া যাবে না পড়ুয়াদের। কোনও পড়ুয়ার ফি দিতে দেরি হলে তা মানবিকতার সঙ্গে বিচার করতে হবে। জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া চলবে না।

আরও পড়ুন: জোড়া ফলায় বিদ্ধ অসম, বন্যার জন্যই বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

উল্লেখ্য, এর আগেও রাজ্য সরকারের তরফে বারবার বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষকে আরও মানবিক হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছিল। কোনওভাবেই স্কুলের ফি জমা দিতে না পারলে ছাত্রছাত্রীদের অনলাইন ক্লাস করতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিতেও বারণ করা হয়েছিল। তবে তাতেও কাজ হয়নি। তবে এবার নির্দেশিকা অমান্য করলে স্কুলগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। কোভিড পরিস্থিতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য কোনও পরামর্শ বা অন্য কোনও অভিযাগ থাকলে তা আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে স্কুল শিক্ষা দফতরের কমিশনারের কাছে জানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে বহুবার কলকাতার নামজাদা বেসরকারি স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অভিভাবকরা। বারবার তাঁরা জানিয়েছেন, টিউশন ছাড়া অন্য ফি তাঁরা দেবেন না। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের কথায় কান দেয়নি। পরিবর্তে নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল তারা। রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত অভিভাবকদের কার্যত জয় হল বলেই মনে করছেন অনেকেই। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি তাঁরা।

Related Articles

Back to top button
Close