fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খকলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই, বিজেপির উল্টো সুর বামেদের, প্রস্তুতি শুরু আলিমুদ্দিনের 

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানে পুরভোট শান্তিপূর্ণভাবে করানো সম্ভব নয়। এই যুক্তিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট করানোর দাবি বিজেপি জানালেও, তার সঙ্গে একমত নয় বামেরা। কেন্দ্র ও রাজ্য সুষ্ঠু ভোট না চাইলে কোনও বাহিনী দিয়েই ভোট করে লাভ নেই বলে মনে করছে আলিমুদ্দিন। তবে ডিসেম্বরে পুরভোট হচ্ছে এটা ধরে নিয়েই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বামেরা। শুক্রবার থেকে দিল্লিতে বসছে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক। তারপর বামফ্রন্টের বৈঠক ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে বলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর।

বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর পক্ষে সওয়াল করলেও, তাতে সায় নেই বামেদের। এ প্রসঙ্গে বামেদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় বাহিনী সুষ্ঠু ভোটের পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এমনটাই বলছেন  সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। এ প্রসঙ্গে গত বিধানসভা নির্বাচনে শীতলকুচির প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, “শীতলকুচির ঘটনার পর রাজ্যের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তার প্রভাব পড়েছে ভোটবাক্সে। এক অংশের মানুষকে আতঙ্কিত করতেই পরিকল্পনা করে শীতলকুচির ঘটনা ঘটনো হয়েছিল”। সেইসঙ্গে বামেদের অভিযোগ, আগের পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও রাজ্য তাদের বসিয়ে রেখে ভোট করেছিল। ফলে সুষ্ঠুভাবে ভোট করা হবে কিনা আগে সে ব্যাপারে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এমনটাই  জানিয়েছে বামেরা।

উপনির্বাচনের পরই পুরভোট হতে চলেছে বলে খবর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বামেরা রাজ্যের শূন্য হয়ে গিয়েছে। পুরসভার ভোটে কিছুটা ভাল ফল করে বামেরা রাজ্য রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক থাকার চেষ্টা করছে। তাই সব আসনে নয়, যেখানে ন্যূনতম লড়াই করা যাবে সেখানেই প্রার্থী দিতে চায় বামেরা।

এদিকে সূত্রের খবর, কলকাতা ও হাওড়া, দুই পুরনিগমের ভোট প্রথম পর্যায়ে এবং ১১০টি পুরসভার নির্বাচন পৃথকদিনে একাধিক পর্যায়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নবান্নের সবুজ সংকেত পেলে পুলিশ ও প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে দক্ষিণবঙ্গে দ্বিতীয় ধাপে এবং উত্তরবঙ্গের পুরসভাগুলিতে তৃতীয় পর্যায়ে ভোটগ্রহণ করার পথে যাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

Related Articles

Back to top button
Close