fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরেও চ্যাংড়াবান্ধায় হয়নি পর্যটক আবাসন

জয়দেব অধিকারী, মেখলিগঞ্জঃ দু’বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেখলিগঞ্জের চ্যাংড়াবান্ধায় এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চ্যাংড়াবান্ধায় একটি পর্যটক আবাসন তৈরি করা হবে। যেখানে তিনি বা অন্যান্য প্রশাসনিক দপ্তরের মন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা থাকতে পারবেন।

পাশাপাশি এই আবাসন তৈরি হলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা পর্যটক থেকে শুরু করে বাইরের পর্যটকরা থাকতে পারবেন। আর এই প্রতিশ্রুতির পর চ্যাংড়াবান্ধাবাসী বুকে স্বপ্ন দেখেছেন। পাশাপাশি এই প্রত্যন্ত সীমান্তে পর্যটক আবাসন হলে এলাকার উন্নয়নও হবেন বলে আশা করেছিলেন এলাকাবাসী৷ প্রশাসন সুত্রে খবর জমি পাওয়া না যায়নি আবাসনের।তবে দুইবছর পরও এনিয়ে কোন প্রশাসনের হেলদোল না থাকায় আশাভঙ্গ হয়েছে স্থানীয়রা।অন্যদিকে চ্যাংড়াবান্ধার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সৃজনও এনিয়ে সরব হয়েছেন। সৃজনের কর্ণধার সুনির্মল গুহ বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর আমরা বুক বেঁধেছিলাম।কিন্তু জমি পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে প্রশাসন। তবে আমরা চাই চ্যাংড়াবান্ধা বিডিও অফিসের নিকট পিডাব্লিউডি এর ৫-৬ বিঘা জমি পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।সেই জমিতেই আবাসন করুক।

শনিবার চ্যাংড়াবান্ধায় একটি প্রশাসনিক বৈঠকে এসে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানালেন লক ডাউনের ফলে আবাসন নিয়ে এগোনো যায় নি।লকডাউন স্বাভাবিক হলে আবাসন নিয়ে ফের চিন্তা ভাবনা করা হবে। তিনি আরো বলেন আবাসন তৈরির জন্য জমির এখনো পাওয়া যায় নি যার জন্য সম্ভব হয়নি।তবে বিডিও অফিসের নিকট একটি পিডাব্লিউডি র জমি রয়েছে। আমাদের এক একরের মতক জমি দেয় কি না আলোচনা করা হবে।

 

অন্যদিকে চ্যাংড়াবান্ধা বিডিও অফিস সংলগ্ন পিডাব্লিউডি এর প্রায় ৬ বিঘা জমি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে বলে জানান ওই এলাকার নাইট গার্ড।তিনি জানান দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে সেখানে চাকরি করছে। জমি পড়েই রয়েছে।এই জমি দেখতেই কেউ আসেই না।

Related Articles

Back to top button
Close